নাসবাউবি’র সুবর্ণজয়ন্তীর প্রচার শুরু

প্রকাশ:| বুধবার, ২২ মার্চ , ২০১৭ সময় ১১:৫৯ অপরাহ্ণ

তিন গুণী প্রচারমাধ্যম ব্যক্তিত্ব যথাক্রমে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন’র ব্যুরো প্রধান সাংবাদিক রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আজাদীর সিনিয়র স্টার্ফ রিপোর্টার সাংবাদিক শুকলাল দাশ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, দেশ টেলিভিশনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সাংবাদিক আলমগীর সবুজ নাসিরাবাদ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় (নাসবাউবি)’র গৌরবের সুবর্ণ জয়ন্তী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী আয়োজন উপলক্ষে চূড়ান্ত সার্বজনীন প্রস্তুতি সভা সফল করতে আনুষ্ঠানিক প্রচারণার উদ্বোধন করলেন।
গতকাল ২২ মার্চ বিকেলে স্কুলের দেয়ালে ‘সুবর্ণজয়ন্তীর ডাক’ শিরোনামে ব্যতিক্রমী ফেস্টুন স্থাপনের মাধ্যমে প্রচারণার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, চট্টগ্রামের বুকে নাসিরাবাদ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় স্ব-মহিমায় সমুজ্জ্বল। মহান মুক্তিযুদ্ধে এ স্কুলের শিক্ষার্থীদের বিশাল অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে তারা আরো বলেন, শিক্ষা, খেলাধুলা, সংস্কৃতিচর্চায় এ বিদ্যালয় চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশে বিশেষ পরিচিত। স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বীরত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। এই স্কুলের সুবর্ণজয়ন্তী মানেই অন্যরকম উৎসব এবং অবশ্যই ব্যতিক্রম কিছু।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ ফরিদুল আলম হোসাইনীর সভাপতিত্বে এবং প্রাক্তন কৃতি ছাত্র লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালির সঞ্চালনায় এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও সাবেক ছাত্র নেতা মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ প্রিন্স, আলী ওসমান রাজু, শহীদুল্লাহ মিটু, জাহিদুল ইসলাম, নাজমুর ছাফা রিমন, রায়হান মাহমুদ শুভ, নাহিদুল ইসলাম সুপ্ত প্রমুখ।
এদিকে, গৌরবের সুবর্ণ জয়ন্তী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী আয়োজন উপলক্ষে চূড়ান্ত সার্বজনীন প্রস্তুতি সভা আগামীকাল ২৪ মার্চ, শুক্রবার, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।
সভায় ১৯৬৭-২০১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য প্রাক্তন ছাত্র সমিতির প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও নাসিরাবাদ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (১৯৭৪-৭৬)’র নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠক ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন অনুরোধ জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালে প্রাক্তন ছাত্র সমিতির গঠনকালে ও ১৯৯৩ সালে প্রথম পুনর্মিলনী উপলক্ষে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যারা স্কুলে ন্যুনতম ১ বছর লেখাপড়া করেছিলেন তারা প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে গণ্য হবেন।