নারী ও যুব তিন সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

প্রকাশ:| রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর , ২০১৬ সময় ০৯:৫৩ অপরাহ্ণ

বান্দরবানে মারমা কিশোরীকে গণধর্ষনের প্রতিবাদে ছাত্র,

২৫ ডিসেম্বর রবিবার অদ্য ৩.৩০ ঘটিকার সময় বান্দরবানে রাজপূর্ণ্যহ মেলায় বেড়াতে আসা এক মারমা কিশোরীকে গণধর্ষনের প্রতিবাদে চিহ্নিত কাজল বড়–য়া ও তার গংদের গ্রেপ্তার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে চট্টগ্রাম নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে পাবর্ত্য চট্টগ্রামের তিন সংগঠন গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মিছিলটি চেরাগী মোড় হতে শুরু হয়ে নন্দন কানন ডিসি হিল মোড় ঘুরে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। উক্ত সমাবেশে সভায় গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম নগর শাখার সহ-সভাপতি শুভ চাকের সভাপতিত্বে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের নগর শাখার সাধারণ সম্পাদক জিকো চাকমার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন হিল উইমেন্স ফেডারেশনের নগর শাখার আহ্বায়ক জুলেখা চাকমা। আরও বক্তব্য রাখেন নগর শাখার পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক কলিন্স চাকমা ও হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সদস্য সচিব নগর শাখার রিতা চাকমা প্রমুখ।
সভায় রিতা চাকমা বলেন, গত ২৩ ডিসেম্বর, বান্দরবান সদরে রাজপর্ণ্যহ বেড়াতে আসা মারমা কিশোরীকে গণধর্ষণ করে কাজল ও জুয়েল গংরা। এই ধরণের ঘটনা নতুন নয়, পাবর্ত্য চট্টগ্রামে নারী নির্যাতন ধর্ষণের পর হত্যা বিচার না হওয়ায় এধরণের ঘটনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। অভিযোগ করে আরও বলেন, ১৯৯৬ সালে কল্পনা চাকমা অপহরণ, সুবিতা চাকমা, তুমাচিং মারমা, কুমিল্লা ভিক্টরিয়া কলেজের সোহাগী জাহান তনু ধর্ষণের পর হত্যা বিচার এখনো পায়নি। তাই অবিলম্বে চিহ্নিত ধর্ষকদের গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। সভায় ছাত্র যুব নেতারা বলেন, পাবর্ত্য চট্টগ্রামে আগে কখনো ধর্ষণের শব্দ ছিল না। সেটলারা যখন পাবর্ত্য চট্টগ্রামে অনুপ্রবেশ করে, তখন থেকেই ভূমি বেদখল, নারী নির্যাতন, ধর্ষণের পর হত্যা, সাম্প্রদায়িক হামলা দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েছে। আজকে পাবর্ত্য চট্টগ্রামে মাঠে ঘাটে বাইরে কোন নারীরাই নিরাপদ নই। তাই পাবর্ত্য চট্টগ্রামসহ সারা দেশে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য দাবি জানান ও চিহ্নিত ধর্ষকদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শান্তির দাবি জানিয়েছেন।


আরোও সংবাদ