নাছির উদ্দীন মুনির হেফাজতের কেউ নন – আহমদ শফি

প্রকাশ:| রবিবার, ৮ জানুয়ারি , ২০১৭ সময় ০৯:২৯ অপরাহ্ণ

নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ
হাটহাজারী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনির হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের কেউ নন বলে নিউজচিটাগাং২৪ডটকমকে জানান হেফাজত
ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফি (দাঃবাঃ)।

উল্লেখ্য,সম্প্রতি জায়গার মূল্য বৃদ্ধি পাওয়াতে হাটহাজারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভূমিদস্যু চক্রের তৎপরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তারই অংশ
হিসেবে এবার অভিযোগের তীর জনগনের ভোটে নির্বাচিত এক উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যানের দিকে। সম্পতি চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মৌলানা মোঃ নাছির উদ্দিন মুনির ্এর বিরুদ্ধে জেলা পরিষদ ও সড়ক জনপদ বিভাগের সরকারী জায়গা জবর দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর প্রেক্ষিতে হেফাজত
ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফি (দাঃবাঃ)র কাছে হাটহাজারী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনির এর রাজনৈতিক পরিচয় জানতে চাইলে হেফাজত আমীর জানান নাছির উদ্দীন মুনির হেফাজতের কোন সাংগঠনিক ব্যক্তি নয়। সে আমাদের কোন কিছুর সদস্যও নয়। তার বিষয়ে হেফাজতের কোন মাথা ব্যথা নেই। সে খারাপ কিছু করলে রাষ্ট আইন গত ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।

সরেজমিন গিয়ে ও জেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানতে পেরে জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের চারিয়া নয়াহাট বাজারের দক্ষিন পশ্চিমে চট্টগ্রাম-নাজিরহাট সড়কের পাশে জেলা পরিষদ এবং সড়ক জনপদ বিভাগের খালি জায়গা স্থানীয় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গং মাটি ভরাট করে জবর দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এমন বিষয় দৃষ্টি গোচর হয়। এরি ধারাবাহিকতায় ঘটনা স্থলে এসে অভিযোগের সত্যতা দেখে যায় কর্তৃপক্ষ। পরে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশের উপস্থিতিতে কর্তৃপক্ষ উক্ত জায়গাটি উদ্ধার করে কাটা তার দিয়ে ঘেরাও করে সাইন বোর্ড টাঙ্গিয়ে দেয়।

কাগজপত্র মতে জায়গাটি চারিয়া মৌজার আর এস ৬৩৬৭ দাগের, এটি জেলা পরিষদ ও সড়ক ও জনপদ বিভাগের সম্পত্তি বলে জানান জেলা পরিষদ সার্ভেয়ার ইমতেয়াজ নাঈম। স্থাণীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি জায়গার মূল্য বৃদ্ধি পাওয়াতে হাটহাজারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ন্যায় চারিয়াতেও বেশ কয়েকটি ভূমিদস্যু চক্রের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২৯ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম বিভাগীয় আঞ্চলিক ইজতেমা শুরু হয় আর ৩১ ডিসেম্বর
সমাপ্ত হয়। ইজতেমার নাম ভাঙ্গিয়ে গত ২৭ ডিসেম্বর ইজতেমা শুরু হবার ২ দিন আগে পাহাড় কাটা মাটি দিয়ে সরকারি জায়গাটি ভরাটের কাজ শুরু করা হয়। পরে পরিপূর্ন ভাবে দখলে নিতে ৩ জানুয়ারি ও ৪ জানুয়ারি দিবাগত রাতে ড্রাম ট্রাকের মাধ্যমে পাহাড়ি মাটি দিয়ে জায়গাটি ভরাট করা হয়।