নাইক্ষ্যংছড়ি পিআইও বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১৫ জুলাই , ২০১৬ সময় ০৮:১৬ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান ॥
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)’র বিরুদ্ধে অফিস ফাঁকি’সহ অনিয়মের নানা অভিযোগ উঠেছে। দুর্যোগকালীন সময়ে পিআইও’র অফিস ফাঁকি দেয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসারও (ইউএনও)।
অফিস সূত্রে জানাগেছে, জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবিদ খান প্রায় পাচঁ মাস আগে যোগদানের পর থেকেই কর্মস্থলে অনিয়মিত। অফিস ফাঁকি দিয়ে দায়সারা ভাবে চাকুরী করছেন। সরকারী কর্মচারীদের সাপ্তাহিক ছুটি শুক্র-শনি হলেও পিআইও অফিস করেন মঙ্গলবার ও বুধবার। অন্যান্য দিনগুলোতে অঘোষিত ছুটি কাটান পিআইও। কর্মস্থলে ফাঁকি দিলেও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে নির্মিত পিআইও ব্রীজ নির্মাণে ঠিকাদারদের কাছ থেকে কমিশনের পার্সেন্টিজ এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের কাছ থেকে ত্রাণের বরাদ্দকৃত খাদ্য শস্য চাল-গমের পার্সেন্টিজ গ্রহণের হিসাবে কোনো ধরণের ছাড় দেয়না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ঈদের সরকারী ছুটির আগে ছুটিতে গেলেও ৯ দিনের সরকারী ছুটি শেষ হওয়ার পরও গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পিআইও কর্মস্থলে ফিরেননি বলে খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় ঠিকাদার কামাল উদ্দিন’সহ কয়েকজন বলেন, বর্তমান পিআইও যোগদানের পর থেকে অফিস কার্যক্রমে গতিশীলতা কমেছে। কিন্তু পিআইও আবিদ খান সময়মত কাজের পার্সেন্টিজের অর্থ না পেলে জনপ্রতিনিধি’সহ ঠিকাদারদের নানাভাবে হয়রানি করে।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এএসএম শাহেদুল ইসলাম জানান- পিআইও আবিদ খান ছুটি না নিয়ে অফিসে অনুপস্থিত থাকেন। পিআইও অফিসে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়না, অফিস তালাবদ্ধ থাকে। বিষয়টি জেলা প্রশাসক’কে অবহিত করা হয়েছে। ঈদের সময় ভিজিএফ চাল বিতরণ, হাতির আক্রমণে মৃত্যু’সহ চলমান বর্ষার দুর্যোগ কালীন সময়ে পিআইও অফিসে ছিলেন না। এটি খুবই দু:খজনক।
এ ব্যাপারে নাইক্ষ্যংছড়ি প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবিদ খানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্ঠা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোন নাম্বার-০১৭১৭৬৫৫৩৪২ নাম্বারে একাধিক কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে স্থানীয় সাংবাদিকদের মুঠোফোনে পিআইও আবিদ খান বলেন, তিনি বর্তমানে ছুটিতে আছেন। তবে অফিসে অন্যান্য কর্মচারীদের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেননা।