নাইক্ষ্যংছড়িতে সেতু’সহ ৮টি উন্নয়ন কাজের উদ্ধোধন

প্রকাশ:| শনিবার, ২৯ এপ্রিল , ২০১৭ সময় ০৮:২৪ অপরাহ্ণ

সর্বক্ষেত্রেই উন্নয়নের পথে এগুচ্ছে পার্বত্যবাসী-বীর বাহাদুর এমপি
বান্দরবান প্রতিনিধি॥
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান’সহ ৮টি উন্নয়ন কাজের উদ্ধোধন করা হয়েছে। আজ শনিবার পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়ন কাজগুলোর ফলক উন্মোচন করেন।
উন্নয়ন কাজগুলো হচ্ছে- স্থানীয় সরকার বিভাগ এলজিইডি অর্থায়নে ২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত উক্যজাই হেডম্যান পাড়া স্কুল, বাহিরমাঠ স্কুল, লেমুছড়ি স্কুল, কুরিক্ষ্যং স্কুলের চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ, এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের অর্থায়নে ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে লেমুছড়ি বিজিবি ক্যাম্প হতে মুরঙ্গা পাড়া পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে তুলাতলী খালের উপরে ৩ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, প্রায় ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে দোছড়ি জুনিয়র হাইস্কুল ভবন নির্মাণ এবং স্বাস্থ্য বিভাগের অর্থায়নে প্রায় ৫৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে দোছড়ি ইউনিয়ন কমিউিনিটি ক্লিনিক ভবন নির্মাণ।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক, বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী, জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: কামরুজ্জামান, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কাজল কান্তি দাশ, পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য লক্ষী পদ দাশ, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস,এম সরওয়ার কামাল, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আজিজ, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ক্যউচিং চাক, সাধারণ সম্পাদক মো: ইমরান, লামা উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মো: ইসমাইল, যুগ্ম আহ্বায়ক তসলিম ইকবাল চৌধুরী’সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে দোছড়ি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি বলেন, পার্বত্য শান্তি চুক্তি সম্পাদনের পর পার্বত্যাঞ্চলে উন্নয়নে ছোয়া লেগেছে। পার্বত্যাঞ্চলের মানুষের উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক সরকার। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ’সহ সবক্ষেত্রেই উন্নয়নের দিকে এগুচ্ছে পার্বত্যবাসী। তিনি আরো বলেন, ছাগল নাচে খুটির জোরে, আর আমি নাচি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জোরে। এ অঞ্চলের যতসব উন্নয়ন হয়েছে তার সবই প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছার কারণেই সম্ভব হয়েছে। স্বপ্নের তুলাতলী ব্রীজটি নির্মাণ হলে এ অঞ্চলে কৃষি বিপ্লব ঘটবে। পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র প্রধান সর্বোপরী অভিভাবক যদি ঠিক থাকেন, তাহলে নিজনিজ ক্ষেত্রে উন্নতি না হওয়ার কোন সুযোগ নেই।