নর্থ সাউথের সাবেক শিক্ষার্থী আকিব দু’দিন ধরে নিখোঁজ

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ২ আগস্ট , ২০১৬ সময় ০৯:০৩ অপরাহ্ণ

আকিবচট্টগ্রাম নগরীতে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক শিক্ষার্থীর দুইদিন ধরে কোন খোঁজ মিলছেনা। একইসঙ্গে তার প্রাইভেট কার এবং গাড়িচালককেও পাওয়া যাচ্ছে না।

মো.জুনায়েদ হোসেন আকিব (২৫) নামে ওই শিক্ষার্থী গত এপ্রিল মাসে ঢাকায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ অনার্স শেষ করেন। বাবা মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন চৌধুরীর মৃত্যুর কারণে তিনি চট্টগ্রামে ফিরে আসেন বলে জানিয়েছেন আকিবের ভগ্নিপতি এস এম আবুল মঞ্জুর।

আকিবের ‍বাসা নগরীর খুলশি থানার কুসুমবাগ আবাসিক এলাকায়। নিখোঁজের ঘটনায় তার ভগ্নিপতি এস এম আবুল মঞ্জুর সোমবার রাতে খুলশি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ‍দায়ের করেছেন। জিডি নম্বর ৪৬।

খুলশি থানার ওসি নিজাম উদ্দিন বলেন, নর্থ সাউথের সাবেক ছাত্র জুনায়েদ হোসেন আকিব এবং তার গাড়িচালক মো.মোস্তফা নিখোঁজের ঘটনায় একটি জিডি হয়েছে। আমরা এবং ডিবি সম্মিলিতভাবে বিষয়টি তদন্ত করছি।

এস এম আবুল মঞ্জুর জানান, সোমবার দুপুর ১টার দিকে আকিব তার প্রাইভেট কার (চট্টমেট্রো –গ ১১-৭২৭৯) নিয়ে বাসা থেকে বের হন। গাড়ি চালাচ্ছিলেন চালক মোস্তফা (৩০)। গাড়িতে রাব্বি নামে আকিবের এক বন্ধুও ছিল। ভারতের ভিসা নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহে দুই বন্ধু আগ্রাবাদ গিয়েছিলেন।

‘ফেরার পথে দুপুর পৌনে তিনটার দিকে নগরীর ওয়াসা মোড়ে রাব্বিকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেয় আকিব। এরপর বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কিন্তু এরপর থেকে তার আর কোন খোঁজ মিলছে না। দুজনের মোবাইলও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ’ বলেন এস এম আবুল মঞ্জুর।

প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে তিনি জানান, সোমবার দুপুর তিনটার দিকে নগরীর গরীবউল্লাহ শাহ মাজারের পাশে বিআরটিসি কাউন্টারের অদূরে কুসুমবাগ আবাসিক এলাকার প্রবেশমুখে প্রাইভেট কারটি অবস্থান করছিল। এসময় পাশে দাঁড়ানো একটি পাজেরো জিপের সঙ্গে প্রাইভেট কারটির ধাক্কা লাগে। বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে পাজেরো গাড়ির লোকজন ক্ষতিগ্রস্ত কারটি মেরামতের আশ্বাস দিয়ে আকিবদের খুলশির দিকে নিয়ে যায়।

এরপর থেকে তাদের আর কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছেনা বলে জানিয়েছেন এস এম আবুল মঞ্জুর।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ সম্পন্ন করার পর আকিব তার আরেক ভগ্নিপতির সঙ্গে যৌথভাবে ব্যবসা করছিল। একমাত্র ছেলে আকিব বাবার অবর্তমানে তাদের পারিবারিক বিষয়ও দেখশোনা করছিল বলে জানান এস এম আবুল মঞ্জুর।