নভেম্বরে নবাবগঞ্জে দীঘীপাড়ার কয়লা ক্ষেত্রে প্রথমিক কার্যক্রম শুরু

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৭ অক্টোবর , ২০১৭ সময় ০৮:৫২ অপরাহ্ণ

 

শাহ্ আলম শাহী,দিনাজপুর থেকেঃ আগামী নভেম্বর হতে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে দীঘীপারার কয়লা ক্ষেত্রে প্রথমিক কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ,জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এমপি।
তিনি আজ শুক্রবার দুপুরে নতুন আবিস্কৃত দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে দীঘীপাড়ার এ কয়লা ক্ষেত্র পরিদর্শন করেন।
এর আগে সকালে দিনাজপুর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ঠিকাদারেদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন,বিদ্যুৎ,জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এমপি।
আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় তিনি দিনাজপুরের তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শণ করেন। পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ঠিকাদারেদের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।
এ সময় দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক,বিদ্যুৎ,জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ,প্রধান প্রকোশলী আব্দুল হাকিম সরকার, দিনাজপুর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী চৌধূরী নুরুজ্জান, জার্মান ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশ প্রধান পরামর্শক শান্তুু চৌধুরীসহ অন্যন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর পর তিনি নতুন আবিস্কৃত দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে দীঘীপারার কয়লা ক্ষেত্র পরিদর্শন করেন।
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার দিঘীরপাড়া নামক এলাকায় ১৯৯৫ সালে ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) কয়েকবছরের অনুসন্ধানে আবিষ্কৃত হয় দিঘী পাড়া কয়লা ক্ষেত্রটি।
এ কয়লা ক্ষেত্র হতে বছরে ৪ মিলিয়ন টন কয়লা উত্তোলনের সম্ভবতা যাচাই ও কয়লা ক্ষেত্রটির উন্নয়নে ৪ হাজার কোটি টাকাও বরাদ্দ হয়েছে। আগামী নভেম্বর হতে প্রথমিক কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ,জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এমপি।
তিনি বলেন , সম্ভবতা যাচাইয়ে ৬০ পয়েন্ট নির্ধারন করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এখন চলবে প্রস্তুতি পর্ব। চুড়ান্ত ভাবে খনন কার্যক্রম শুরুর আগে ভূমি অধিগ্রহনসহ উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হবেন না, দেশের জ্বালানী খাত সমৃদ্ধ হবে।
২০১৫ সালের ২১ অক্টোবর বাংলাদেশ খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি) ও বড় পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএমসিএল) এর মধ্যে এ নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিতও হয়। তারা বড় পুকুরিয়া খনির অভিজ্ঞতায় দিঘীপাড়া কয়লা ক্ষেত্রের উন্নয়নের দায়িত্ব নিয়েছে। এ বছর ৬০ টি পয়েন্টে বোরিং এর কথা জানায়। দিঘীপাড়া ক্ষেত্রটি হতে উৎপন্ন কয়লায় ৪ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সম্ভব এবং তা দিয়ে দেশের সৃষ্ট চাহিদা পুরন হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের জ্বালানী বিভাগ দিঘীপাড়া কোল বেসিনের ২৪ বর্গ কিঃমি এলাকার কয়লার পরিমান নির্নয় ও কেন্দীয় অংশে (১০-১১ কিঃমি) ভুগর্ভস্থ পদ্ধতিতে বছরে ৪ মিলিয়ন টন কয়লা উৎপাদন ক্ষমতার খনি উন্নয়নে বড়পুকুরিয়া খনি কর্তৃপক্ষকে অনুসন্ধান এবং সম্ভাবনা যাচাইয়ের অনুমোদন দেয়া হয়। এ কয়লা ক্ষেত্র এলাকাবাসীর সার্বক্ষণিক আলোচনা চলছে যে, কবে শুরু হবে কয়লা খনির কাজ ও কতদূর এলাকার গ্রাম-বাড়ীঘর থাকবে -থাকবেনা ইত্যাদী নিয়ে।