নতুন প্রজন্মের কাছে পরিবর্তনের বার্তা পৌঁছে দিতে চাই

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর , ২০১৬ সময় ০৫:৪১ অপরাহ্ণ

 

বঙ্গবন্ধু বইমেলা ও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় উৎসব উদ্যাপন পরিষদের চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন আহমেদ মিন্টু বলেছেন বিজয়ের মাসে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিবর্তনের বার্তা পৌঁছে দিতে চাই, এবং বই হচ্ছে জ্ঞান অর্জন ও পরিবর্তনের বাহন। তিনি আজ ১৩ ডিসেম্বর বিকেলে নগরীর জামালখানস্থ চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সাংবাদিক সম্মেলন কক্ষে ডিসি হিল নজরুল স্কয়ার প্রাঙ্গণে ১৪ থেকে ২৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ১২ দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধু বইমেলা ও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় উৎসব উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামে বিভিন্ন সময়ে বেশ কয়েকটি বইমেলা হয়। কিন্তু কোনোটাই বইপ্রেমীদের ব্যাপকভাবে টানতে পারেনি। সারাদেশে সৃজনশীল পুস্তক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের অংশ নিশ্চিত না হলে সঙ্গত কারনেই বইমেলা জমতে পারে না। সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামানুসারে সারাদেশের মধ্যে একমাত্র চট্টগ্রামে বইমেলা আয়োজনে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এই জন্য চট্টগ্রামবাসী হিসেবে গর্ববোধ করতে পারি। বঙ্গবন্ধু বইপ্রেমী ছিলেন। তাই তাঁর নামানুসারে বইমেলা আয়োজন যথার্থ। বঙ্গবন্ধু বইমেলা ও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় উৎসব উদ্যাপন পরিষদের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নঈম উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন কম্পিউটার আমাদের সন্তানদের চিন্তার জগৎকে সকীর্ণ করে দিয়েছে। তাদের কল্পনা, শক্তিও দুর্বল। কারণ মস্তিস্কের কর্ষনও নেই। তিনি আরো বলেন, আগে উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের পারিবারিক লাইব্রেরী ছিল। এখান থেকে মন চর্চা হতো। আজ সময় পাল্টেছে। তরুণদের একটি বড় অংশ ফেসবুক মজে আছে। তাদের বইপড়ার আগ্রহ অভ্যাস্ত করতে হবে। তিনি আরো বলেন বঙ্গবন্ধুর নামে বইমেলা একদিন মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার মত টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে। আমরা সেই স্বপ্নই দেখি। মেলা পরিষদের কো-চেয়ারম্যান এডভোকেট মুজিবুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধু বইমেলা দেশের স্বনামধন্য সৃজনশীল প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের ৫০ টি শীর্ষস্থানীয় প্রকাশনা সংস্থা অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে। তাই এবারের আয়োজন আগের চেয়ে নতুন মাত্রা পাবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা মোজাহেরুল হক চৌধুরী, বালাগত উল্লাহ, মেলা পরিষদের কার্যকরী চেয়ারম্যান আ আ ম শাহজাহান, মেলা পরিষদের কো-চেয়ারম্যান লেখক ও প্রকাশক জামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, কাউন্সিলর শিক্ষা ও স্বাস্থ্য স্টাডিং কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল হক ডিউক, কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, মেলা পরিষদের কার্যকরী মহাসচিব সুমন দেবনাথ, প্রধান সমন্বয়কারী সংস্কৃতিকর্মী খোরশেদ আলম, সমন্বয়ক আবু সুফিয়ান, কবি সজল দাশ, আবদুর রহিম চৌধুরী, মহানগর ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মো: শাকিল, এডভোকেট টিপু শীল জয়দেব, রেবা বড়–য়া, নিউটন দে, সংস্কৃতিকর্মী আমিনুল নিজামী রিফাত, ওয়ায়েস কাদের, মাকসুদুর রহমান মাসুদ, রায়হানুল, জাফর আলম, মাসুদ চৌধুরী, পার্থ, জুয়েল, সবুর, সাঈদ, জাকির, রানা, জাহেদ, শেখ শাদি, লাভলু, রিটু, নাইম, অসীক দত্ত। আগামীকাল ১৪ ডিসেম্বর বিকাল ৩টায় নগরীর নজরুল স্কয়ার ডিসি হিল প্রাঙ্গনে ১২দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধু বইমেলা ও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় উৎসবের এই আয়োজন আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দীন, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন একুশে পদকপ্রাপ্ত বরণ্য কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সহ সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, আলহাজ্ব নঈম উদ্দিন চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিট কমান্ডার মো: সাহাব উদ্দিন। ১২দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধু বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সকল রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে আহ্বান জানিয়েছেন মেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন আহমেদ মিন্টু, মহাসচিব শেখ মুজিব আহমেদ, প্রধান সমন্বয়কারী সংস্কৃতিকর্মী খোরশেদ আলম।