‘নতুন নতুন বিষয় সংযোজন করে ইসলামী সংস্কৃতিতে বৈচিত্র্য আনতে হবে’

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| রবিবার, ১২ আগস্ট , ২০১৮ সময় ১০:১০ অপরাহ্ণ

হিজরি নববর্ষ উদ্যাপন পরিষদের নব গঠিত কার্যকরি পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠান ১২ আগস্ট রবিবার বিকেলে হিজরি নববর্ষ উদ্যাপন পরিষদের চেয়ারম্যান পীরজাদা মাওলানা মুহাম্মদ গোলামুর রহমান আশরফ শাহ্’র সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম একাডেমির ফয়েজ নূর নাহার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গবেষক-সংগঠক অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার। প্রধান বক্তা ছিলেন দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক অধ্যাপক মুহাম্মদ আবু তালেব বেলাল। বিশেষ অতিথি ছিলেন লেখক ও কলামিস্ট ড. মুহাম্মদ মাসুম চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ফিন্যান্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ মহিউদ্দিন চৌধুরী, ঢাকা সাভার ইউনিভার্সিটি কলেজের লেকচারার মুহাম্মদ এমরানুল ইসলাম। পরিষদের মহাসচিব মুহাম্মদ এনামুল হক সিদ্দিকী’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইন। প্রধান অতিথি মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার বলেন, স্থানীয় সংস্কৃতিকে কখনো অবজ্ঞা করা যাবে না। বাঙালি সংস্কৃতিকে মেনে নিয়েই নির্মল ইসলামী সংস্কৃতিকে ধারণ করা যায়। বাঙালিরাই মাতৃভাষার জন্য রক্ত দিয়ে ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাই, বাঙালি সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে আসছে ঢাকা, কলকাতা নয়। মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার বলেন, আমাদের এখানে মাতৃভাষা বাংলার পরিবর্তে উর্দুকে চাপিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছিল। আর কলকাতায় হিন্দিকে চাপিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্রের কথা আমরা জানি। তিনি বলেন স্থানীয় সংস্কৃতিকে অবজ্ঞা না করেই ইসলামী সংস্কৃতিকে প্রসারিত করা যায়। নতুন নতুন বিষয় সংযোজন করে ইসলামী সংস্কৃতিতে বৈচিত্র্য আনতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা গোলামুর রহমান আশরফ শাহ বলেন, ইসলামী সংস্কৃতিকে যুগোপযোগী করে তুলে ধরতে ইসলামী বিধান ইজমা ও কিয়াসের ওপর বিষদ গবেষণা প্রয়োজন। হিজরি নববর্ষ উদ্যাপন পরিষদ ইসলামী সংস্কৃতি শুদ্ধতম চর্চায় অবদান রাখছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বক্তারা ডিসি হিলে হিজরি বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের অনুমতি দিতে প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান। অনুষ্ঠানে অতিথি ও আলোচক ছিলেন মুহাম্মদ নঈম উল ইসলাম, আবু নাছের মুহাম্মদ তৈয়্যব আলী, মুহাম্মদ আলী হোসাইন, আ ব ম খোরশিদ আলম খাঁন, সৈয়দ মুহাম্মদ আবু আজম, মুহাম্মদ শফিউল আলম, মাওলানা সোহাইল উদ্দিন আনসারী, ডি আই এম জাহাঙ্গীর আলম, মুহাম্মদ আব্দুল করিম, শাহজাদা ওবাইদুর রহমান পেঠান শাহ্, আজিম উদ্দিন আহমেদ, মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, মুহাম্মদ এনামুল হক, মুহাম্মদ ইশতিয়াক রেযা, মুহাম্মদ এনামুল হক এনাম, সৈয়দ সালাহ উদ্দিন খোকন, এইচ এম শহীদ উল্লাহ, মুহাম্মদ দিদারুল ইসলাম কাদেরী, মুহাম্মদ আবু তৈয়ব চৌধুরী, মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরী, মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, মুহাম্মদ এ বি এম মাসুদ, মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম রুবেল, মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল রোমান, মুহাম্মদ শফিউল আলম, মুহাম্মদ আব্দুল করিম, মুহাম্মদ মঈনুুদ্দীন কাদেরী, মুহাম্মদ আজিমুল হক জিশান, নূর উন নঈম রিমন, মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন জাবেদ, মুহাম্মদ শাকিল রেযা, মুহাম্মদ সাব্বির হোসেন, মুহাম্মদ ওসমান গণি, মুহাম্মদ আবু বকর, মুহাম্মদ রবিউল হোসাইন, মুহাম্মদ জিয়া উদ্দিন রায়হান, মুহাম্মদ মিসবাহ উদ্দিন, হাফেজ মুহাম্মদ মুনির, মুহাম্মদ ফয়সাল কাউছার প্রমূখ।