নগর ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা

প্রকাশ:| সোমবার, ৭ এপ্রিল , ২০১৪ সময় ১১:৪৪ অপরাহ্ণ

নগর প্রতিবেদক>>
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ছাত্রদলের কেন্দ্রিয় শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতে নগর ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার দুপুরে নগর বিএনপির দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

হাতাহাতির ঘটনায় ছাত্রদলের বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন।

নগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল ও পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

পরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ওবাইদুল হক নাছিরের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

কেন্দ্র থেকে গাজী সিরাজকে সভাপতি ও বেলায়েত হোসেন বুলুকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি গত সাড়ে আট মাস ধরে বিভিন্ন সময়ে সংঘর্ষ, হাতাহাতি ও দলীয় কার্যালয়ে আগুন দেয়ার ঘটনা ছিল নিত্যদিনের ঘটনা।

ছাত্রদলের এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়াম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান।

অতিথি হিসেবে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান, সাধারণ সম্পাদক ডা.শাহাদাত হোসেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ওবাইদুল হক নাছির ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, নগর ছাত্রদলের সভাপতি গাজী সিরাজ উল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাসেলের সমর্থকরা মিছিল নিয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসেন। অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের সময় রাসেল সমর্থক টিটো ও পলিটেকনিক্যাল ছাত্রদল নেতা শাহেদ গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে।

কয়েক দফা হাতাহাতির ঘটনার পর মঞ্চ থেকে নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন উভয় পক্ষকে শান্ত হওয়ার আহ্বান জানালেও কেউ তার কথায় কর্ণপাত করেননি।

এক পর্যায়ে তিনি উত্তেজিত হয়ে দল থেকে বহিষ্কারের হুমকি দিলে ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা আরো উত্তেজিত হয়ে পড়ে।

পরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুরোধে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

হাতাহাতির বিষয়টি স্বীকার করে নগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু বলেন, ‘মিছিল নিয়ে আসা নেতাকর্মীদের মাঝে সামনে বসাকে কেন্দ্র করে একটু উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল। পরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতাদের নির্দেশে পরিস্থিতি শান্ত হয়। বড় ধরণের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।’


আরোও সংবাদ