নগরের ট্রাফিক সিস্টেমকে ঢেলে সাজানো হবে

প্রকাশ:| শনিবার, ২৩ এপ্রিল , ২০১৬ সময় ০৯:০৯ অপরাহ্ণ

ট্রাফিক পুলিশএলোমেলো পার্কিং, যততত্র গাড়ি থামানোর স্থান কিংবা নগরীর প্রধান সড়কজুড়ে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা। সিএমপিতে যোগ দিয়েই চলার পথে এমনই দৃশ্য পর্যবেক্ষণ করেছেন নতুন কমিশনার ইকবাল বাহার। আর সেই দৃশ্যের পুর্নমঞ্চায়ন না দেখতে তিনি নিতে চান কার্যকর ব্যবস্থা। সেজন্য বিদ্যমান ট্রাফিক সিস্টেমকে ঢেলে সাজানোর ঘোষণা দিয়েছেন কমিশনার।

দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম মাসিক অপরাধ বিষয়ক সভায় নানা ঘোষণার পাশাপাশি নগরীর ট্রাফিক সিস্টেমে পরিবর্তনের ঘোষনা দেন ইকবাল বাহার।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, নগরীর পরিবহন ব্যবস্থায় দৃশ্যমান একটি পরিবর্তন চান পুলিশ কমিশনার। সেজন্য বর্তমানে নগরীতে কী পরিমানে বিভিন্ন ক্যাটেগরির গাড়ি রয়েছে এবং কোন পথে কী পরিমাণ গাড়ির চাপ বেশি সেটি জানতে চান ট্রাফিক বিভাগের কাছে। সেই অনুযায়ী যততত্র পার্কিং বন্ধে কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি পরিবহন শ্রমিকদের নেতাদের সাথেও সচেতনতামূলক বৈঠক করতে ট্রাফিক বিভাগকে নির্দেশ দেন তিনি।

পাশাপাশি যেখানে সেখানে গাড়ি থামানোর ফলে মোড় কেন্দ্রিক যে যানজট তৈরি হয় সেটি নিরসনেও গাড়ি থামানোর স্থান নির্দিষ্ট করার সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ যেখানে সেখানে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী উঠানামা করলে তখন আইন প্রয়োগের কথা বলা হয়।

এছাড়া নগরজুড়ে সড়ক দখল করে হকারদের ব্যবসার ফলে ফুটপাতে মানুষের হাঁটার যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে সেটির অবসান চান পুলিশ কমিশনার। সেজন্য ফুটপাত হকারমুক্ত করার উদ্যোগ নিতে সিএসপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মাসুদ উল হাসানকে নির্দেশ দিয়েছেন কমিশনার। হকারদের উচ্ছেদের বিষয়টি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তও জড়িত হওয়ায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের সাথে এ বিষয়ে যৌথ সভা করারও সিদ্ধান্ত নেয়া হয় মাসিক অপরাধ সভায়।

সভায় সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) দেবদাস ভট্টচার্য্য, অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) মাইনুল হাসান ও অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মাসুদ উল হাসানসহ সকল জোনের ডিসি, এডিসি, এসি, ওসিরা উপস্থিত ছিলেন।