ধর্ষন ও ভিডিও ধারণ, কেউ ধরা পড়েনি

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৫ মে , ২০১৫ সময় ০৮:৪২ অপরাহ্ণ

শফিউল আলম, রাউজান ঃ
চট্টগ্রামের রাউজানের কদলপুরে বখটে লম্পট যুবক কাইছার নবম শ্রেনীর এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করা ও তার সহযোগী বাবর ধর্ষনের ঘটনা ভিডিও চিত্র ধারন করার পর দরিদ্র পরিবারের কন্যা ধর্ষিত হওয়ার পর ধর্ষিতা স্কুলছাত্রীর মাতা রেনু আকতার বাদী হয়ে রাউজান থানায় ধর্ষক কায়সার ও ভিডিও চিত্র ধারনকারী বাবর, ধর্ষনের ঘটনার পর মামলা না করার জন্য হুমকি প্রদানকারী কদলপুরের মৃত গোলাম কাদেরের পুত্র মোহাম্মদ তৈয়ব (৩৫), সিরাজুল হকে পুত্র মোহাম্মদ রাশেদ (২৪), মৃত আবদুল গফুর সারাংয়ের পুত্র মোহাম্মদ জাহেদুল আলম (৩৮) ও মৃত আনোয়ার মিয়ার পুত্র মোহাম্মদ রাজ কে আসামী করে রাউজান থানায় মামলা দায়ের করেন । এই ঘটনার পর ধর্ষিতা স্কুল ছাত্রীর ডাক্তারী পরিক্ষা গত সোমবার সম্পন্ন হয় । ধর্ষিতার ডাক্তারী পরিক্ষার পর ধর্ষিতাকে তার মায়ের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে বলে রাউজান থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান । ধর্ষনের ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে একটি মহল এলাকায় মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে স্থানীয় চেযারম্যান মুজাহিদ উদ্দিন লিংকন দাবী করেন । এদিকে ধর্ষনের ঘটনায় জড়িত কোন আসামীকে পুলিশ এখনো প্রেফতার করতে পারেনি । রাউজান থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান আসামীদের গ্রেফতার করতে পুলিশ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ।
ধর্ষিতার মা রেণু আকতার দায়ের করা মামলার এজাহারে বলেন ‘আমার মেয়ে কদলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী প্রতিদিন স্কুলে যাওয়া আসার পথে কদলপুর দুলা মিয়া সওদাগর বাড়ির মৃত আনোয়ার মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ কাইসার (২০), জয়নাল মেম্বারের বাড়ির মোহাম্মদ লোকমানের ছেলে মোহাম্মদ বাবর (২১) ও কদলপুরের মৃত গোলাম কাদেরের পুত্র মোহাম্মদ তৈয়ব (৩৫), সিরাজুল হকে পুত্র মোহাম্মদ রাশেদ (২৪), মৃত আবদুল গফুর সারাংয়ের পুত্র মোহাম্মদ জাহেদুল আলম (৩৮) ও মৃত আনোয়ার মিয়ার পুত্র মোহাম্মদ রাজু (২৩) স্কুলে যাওয়ার আসার পথে উত্ত্যক্ত করতো, কুপ্রস্তাব দিতো এবং বিভিন্ন প্রলোভন দেখায়। এসব প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত ২ মে সকাল ১০টার দিকে আমার মেয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে জয়নাল মেম্বারের ঘাটায় পৌঁছলে মৃত আনোয়ার মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ কাইসার ও মোহাম্মদ লোকমানের ছেলে মোহাম্মদ বাবর আমার মেয়েকে জোরপূর্বক ধরে পাশ্ববর্তি একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে মোহাম্মদ কাইসার আমার মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় ধর্ষকের সঙ্গী মোহাম্মদ বাবর ধর্ষণের চিত্র মোবাইল ভিডিও করে। এরপর ধর্ষক মোহাম্মদ কাইসার তার সঙ্গী মোহাম্মদ বাবর, মোহাম্মদ তৈয়ব, মোহাম্মদ জাহেদুল আলম ও মোহাম্মদ রাজু এই ঘটনা কাউকে জানাজানি এবং মামলা করলে ব্রাশফায়ারে হত্যার হুমকি দেয়। কিন্ত নিরুপায় হয়ে রবিবার রাতে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছি।