ধর্ষনের শিকার হেফজখানার ছাত্র

প্রকাশ:| রবিবার, ৩০ আগস্ট , ২০১৫ সময় ০৮:৫৮ অপরাহ্ণ

শিক্ষকের ধর্ষনের শিকার হয়েছে ১৩ বছর বয়সী হেফজখানার ছাত্র
কিশোরীকে গণধর্ষণ
জোরপূর্বক ধর্ষন করায় ওই ছাত্রের পায়ুপথ ছিঁড়ে গিয়ে গুরুতর জখম ও রক্তক্ষরণ অব্যাহত থাকায় তাকে চকরিয়া সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পৌরসভার তরছঘাটা ছৈয়দ আহমদিয়া সোলতানুল উলুম হাফেজিয়া ও ফোরকানিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। নরপশু শিক্ষক নামের কলঙ্ক মফিজুর রহমান ডুলাহাজারা রংমহল এলাকার বাসিন্দা।

ধর্ষনের শিকার সাজ্জাদ হোসেন(১৩) চকরিয়া পৌরসভার তরছঘাট এলাকার কমরুদ্দিনের ছেলে। শিক্ষার্থী অভিভাবকসহ সর্বস্থরের জনতা এ ঘটনায় ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করে নরপশু শিক্ষককে গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।

গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটলেও ভয়ে পরিবারের কাউকে কিছু বলেনি। পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় ঘটনাটি পরিবার সদস্যরা জানলে শনিবার সন্ধ্যায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রবিবার চিকিৎসকদের কাছ থেকে ঘটনাটি শুনে চকরিয়া-পেকুয়ার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইলিয়াছ ও কক্সবাজার সদর সার্কেলের সিনিয়র পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম ধর্ষনের শিকার মাদ্রাসা ছাত্রকে হাসপাতালে দেখতে গেলে পুরো চকরিয়ায় ওই ঘটনাটি জানাজানি হয়।

চিকিৎসাধীন ছাত্র বলেন, মঙ্গলবার রাতে কোরআন শরীফ পড়ার পর সবাই ঘুমিয়ে পড়লে হুজুর আমাকে তার গা ম্যাসেজ করে দেয়ার জন্য বলেন। একপর্যায়ে হুজুর আমাকে উপুড় করে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে ধর্ষন করে। এবং শাসিয়ে দেয় কাউকে ঘটনাটি না বলার জন্য। পরে ঘরে গিয়ে দেখি আমার পায়ুপথ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। এ ঘটনা ভয়ে বাড়ীর কাউকে বলিনি। পরে শনিবার বেশী রক্তক্ষরণ হলে আমার বাবাকে ঘটনাটি খুলে বলার পর আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করায়।

এদিকে ধর্ষনের শিকার ছাত্র সাজ্জাদ ওই নরপশু শিক্ষকের শাস্তি দাবী করেছেন। ভবিষ্যতে আর কোন ছাত্র যাতে এ ধরনের ঘটনার শিকার না হয়।


আরোও সংবাদ