দ্য সানের কলামের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২২ জুলাই , ২০১৬ সময় ১০:০২ অপরাহ্ণ

দ্য সানের কলামের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগবৃটেনের অন্যতম শীর্ষ দৈনিক দ্য সানে প্রকাশিত কেলভিন ম্যাকেঞ্জির কলামের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছেন চ্যানেল ফোরের সংবাদ উপস্থাপিকা ফাতিমা মনজি। ফাতিমাকে নিয়েই কলামটি লিখেছিলেন দ্য সানের সাবেক সম্পাদক ম্যাকেঞ্জি। বৃটেনজুড়ে তীব্র নিন্দা আর সমালোচনা কুড়িয়েছে ওই কলাম। প্রায় ১৭০০ অভিযোগ জমা পড়ে বৃটেনের প্রেস রেগুলেটরের কাছে। হাউজ অব কমন্সে এমপিরাও সমালোচনায় মুখর হন। এবার খোদ ফাতিমাই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করলেন। এ খবর দিয়েছে আইটিভি নিউজ।
ম্যাকেঞ্জি দ্য সানের কলামে লিখেছেন, চ্যানেল ফোরে ‘হিজাব পরিহিতা এক তরুণীকে ফ্রান্সের নিসে সন্ত্রাসী হামলার সংবাদ পরিবেশন করতে দেখে নিজের ‘চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না’ তিনি। চ্যানেল ফোর কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে এ কলামকে ‘আপত্তিকর, সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং ধর্মীয় এমনকি বর্ণ বিদ্বেষ উস্কে দেয়ার সমতুল্য’ বলে আখ্যা দিয়েছে। তবে গতকাল দ্য সানে আবার কলাম লিখেছেন ম্যাকেঞ্জি। সেখানে তিনি নিজের ‘যৌক্তিক’ প্রশ্ন উত্থাপনের পক্ষেই অটল রয়েছেন।
আইটিভির খবরে বলা হয়েছে, ফাতিমা মনজি ছাড়াও চ্যানেল ফোরের প্রযোজক প্রতিষ্ঠান আইটিএন’র প্রধান নির্বাহী জন হার্ডি বৃটেনের প্রেস রেগুলেটর তথা ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রেস স্ট্যান্ডার্ডস অর্গানাইজেশনের (ইপসো) কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানিয়েছেন। চ্যানেল ফোর নিউজের সম্পাদক বেন দ্য পিয়ার বলেছেন, ‘যখন একজন কর্মী ধর্মীয় বৈষম্যের শিকার হন, তখন চ্যানেল ফোর শুধু দাঁড়িয়ে দেখবে না। আইটিএন মনে করে, ওই নিবন্ধটি ছিল সম্পাদকীয় নীতিমালার অনেকগুলো ধারার লঙ্ঘণ। বিশেষ করে, বৈষম্য, ভয়ের মাধ্যমে হেনস্থা ও বেঠিক তথ্য সরবরাহ করা। আইটিএন গ্রহণ করে ও বুঝে যে, আমাদের প্রতিবেদক ও উপস্থাপকরা জনগণের সামনে কাজ করেন এবং পত্রিকার কলামিস্টসহ বিভিন্ন পক্ষের সমালোচনা ও মন্তব্য তারা প্রত্যাশা করতেই পারেন। কিন্তু আমরা যেটা গ্রহণ করতে পারছি না তা হলো, একজন কর্মীকে আলাদা করে দেখা হচ্ছে তার ধর্মের ভিত্তিতে।’
তবে নিজের সর্বশেষ কলামে ম্যাকেঞ্জি লিখেছেন, পূর্বের কলামে ‘সামান্য’ একটা প্রশ্ন ছিল তার। তিনি লিখেছেন, তার কলাম ছিল ‘একটি যৌক্তিক প্রশ্ন, যা আপনি বর্তমানে এ দেশ ও ইউরোপের বাকি অংশে বিদ্যমান সংবেদনশীলতা সহকারে চিন্তা করে থাকতে পারেন। কিন্তু এটা এরপর জাতীয় বিতর্কে পরিণত হয়ে যায়। প্রেস রেগুলেটর ইপসোর কাছে রেকর্ড সংখ্যক অভিযোগ জমা পড়ে।’