দেশে এখন ব্যাপক হারে বনায়ন হচ্ছে

প্রকাশ:| রবিবার, ৩০ জুলাই , ২০১৭ সময় ১০:০৪ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রামে ১৫ দিনব্যাপী বনজ ও ফলদ বৃক্ষমেলা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ড. হাছান মাহমুদ
চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে ১৫ দিন ব্যাপী বনজ ও ফলদ বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন হয়েছে। রোববার বিকেলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষমেলা ও বৃক্ষ রোপন অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয় বিষয়ক সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান, সাবেক পরিবেশ ও বনমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক ড. মোঃ জগলুল হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ রফিকুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগীয় কর্মকর্তা আ ন ম আবদুল ওয়াদুদ। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আমিনুল হক চৌধুরী, নার্সারী মালিকদের পক্ষে চট্টগ্রাম নার্সারী মালিক সমিতির উপদেষ্ঠা মোঃ জসিম উদ্দিন।
মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক বনমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেন দেশে এখন ব্যাপকহারে বনায়ন হচ্ছে। সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে এদেশের মানুষ নানাভাবে উপকৃত হচ্ছে এই বছর সরকার সামাজিক বনায়নে অংশিদার জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি টাকা লভ্যাংশ বিতরণ করেছে। ড. হাছান মাহমুদ বলেন বৃক্ষ, সবুজ প্রকৃতি জনগণের বন্ধু। আমাদের সুস্থ ও স্বাভাবিক বেঁচে থাকার প্রয়োজনেই গাছ লাগাতে হবে। কিন্তু বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের সরকার বিরোধী কর্মসূচীতে মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করার পাশাপাশি ব্যাপকভাবে বৃক্ষ কর্তন ও সড়কের পাশের গাছ উপড়ে ফেলা হয়। গত ২০১৩ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত রাজনৈতিক কর্মসূচীতে আন্দোলনের নামে ব্যাপকহাবে বৃক্ষরাজি উপরে ফেলা হয়েছে। যারা এই ধরনের কর্মকান্ড করেছে তারা জনগেনের শত্রুর পাশাপাশি প্রকৃতিরও শত্রু। আর যারা প্রকৃতির শত্রু তারা কখনো জনগনের বন্ধু হতে পারে না। এ ব্যাপারে আমাদের সবাইকে সতর্ক এবং সচেতন হতে হবে। ড. হাছান মাহমুদ দেশের মানুষকে আরও বেশি বেশি গাছ লাগানো এবং শহরের বড় বড় বাড়িসমূহে ছাদে বনায়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
চট্টগ্রামে এবারে বৃক্ষ মেলায় সরকারী বেসরকারী ২১টি প্রতিষ্ঠান এবং ৪৬টি স্টল অংশ নিচ্ছে। আগামী ১৩ আগস্ট এই মেলা শেষ হবে বলে জানান চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগীয় কর্মকর্তা আ ন ম আবদুল ওয়াদুদ।