দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছেন

প্রকাশ:| শনিবার, ১৪ অক্টোবর , ২০১৭ সময় ১০:৪৬ অপরাহ্ণ

বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে –আবদুল্লা আল নোমান

 

বিএনপির ভাইস চেযারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেছেন, সাবেক প্রধান মন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া দেশের দুঃসময়ে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। ৮০ দশকে দলের হাল ধরে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে আপোষহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুন:রুদ্ধার করেছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুন:রুদ্ধারের সংগ্রাম করছেন তখনই এই অবৈধ স্বৈরাচার সরকার তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছে। ইতিহাস সাক্ষী কোন স্বৈরাচার বেশী দিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনা। আইয়ুব খাঁন, ইয়াহিয়া খাঁন তারাও মুক্তিকামী জনতার আন্দোলনের মুখে পতন হতে হয়েছিল। আজ দেশের গণতন্ত্র ও আইনের শাসন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কিছুই নেই। সরকার প্রধান বিচারপতিকে জোর করে ছুটিতে পাঠিয়েছে। যা দেশে বিদেশে পত্র পত্রিকায় ঝড় ওঠেছে। সরকারের সময় শেষ হয়ে এসেছে। মামলা হামল আরও হবে। তারপরও দেশের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার আদায়ের লক্ষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে রাজপথে সকলকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলে অবৈধ সরকার থেকে দেশকে মুক্ত করতে হবে। তিনি অদ্য ১৪ অক্টোবর শনিবার সন্ধায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি কার্যালয় মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির প্রাতিবাদে নগর বিএনপি‘র বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্করের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেযারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খন্দকার। সভাপতি বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া চিকিৎসকের পরামর্শে এখনো লন্ডনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসা শেষে তিনি অচিরেই দেশে ফিরবেন। ঠিক এই মহুর্তে বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে একের পর এক গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির ঘটনা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও প্রতিহিংসামূলক। এর মাধ্যমে সরকারের সৃষ্ট দেশে বিভেদ বিভাজনের রাজনীতিকে আরও তীব্র করা হলো। তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতির বক্তব্যে প্রমাণিত হয়েছে দেশে আইনের শাসন নেই। আইনের শাসন ও বিচার বিভাগ সরকারের শৃংখলে বন্দি। সরকার সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে একক নিয়ন্ত্রিত রাষ্ট ব্যবস্থা কায়েম করতে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে। প্রধান বিচারপতিকে জোর করে অসুস্থ সাজিয়ে বিদেশ পাঠিয়ে বিচার বিভাগকে নিজের কব্জায় নিতে চায়। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবুূল হাশেম বক্কর বলেন, প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা অসুস্থ ছিলেন না। তিনি সুস্থ এবং সরকার তাকে জোর করে বিদেশে পাঠিয়েছে এইটি তার বক্তব্যেই প্রমাণিত হয়েছে। গণমাধ্যমে দেয়া বক্তব্যের কারণে মিসেস সিনহাকে ইমিগ্রেশনে আটকে দিয়ে এস কে সিনহাকে একাই নির্বাসনে পাঠানো হলো। বিদেশে গিয়ে প্রধান বিচারপতি যাতে কিছু বলতে না পারে সেজন্য সরকার মিসেস সিনহাকে জামানত হিসেবে রেখে দিয়েছে। তিনি বলেন বেগম খালেদা জিয়া অবৈধ সরকারের চোখ রাঙ্গানীকে ভয় পায় না। বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের চেষ্টা করা হলে চট্টগ্রাম থেকে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটানো হবে। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র জৈষ্ঠ সহ সভাপতি আবু সুফিয়ান, মোহাম¥দ মিয়া ভোলা, এড. আবদুস সাত্তার,আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী, জয়নাল আবেদিন জিয়া, মোহাম্মদ আলী, আশরাফ চৌধুরী, হারুন জামান, ইকবাল চৌধুরী, এস এম আবুল ফয়েজ, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, শাহ আলম, ইস্কান্দার মির্জা, আর.ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, আহমেদুল আলম রাসেল, মনজুর আলম মনজু, আনোয়ার হোসেন লিপু, টিংকু দাশ, গাজী সিরাজ উল্লাহ, উপদেষ্টাদের মধ্যে হাজী নবাব খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর আলম মনজু, কামরুল ইসলাম, হাজী মো: তৈয়ব, থানা বিএনপি’র সভাপতিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাইফুর রহমান বাবুল, মো: সেকান্দর, মোশারফ হোসেন ডেফটি, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব জাকির হোসেন, আফতাবুর রহমান শাহীন, নুর হোসেন, জসিম উদ্দিন জিয়া, আবদুল কাদের জসিম, নগর মহিলা দলের সভাপতি কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম মনি, সাধারণ সম্পাদিকা জেলি চৌধুরী, নগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলুসহ মহানগর বিএনপি’র সম্পাদকবৃন্দ, ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও অঙ্গ সংগঠনের প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আরোও সংবাদ