দুই বাংলার অন্যতম রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী বন্যার লোকজ গানের অ্যালবাম

প্রকাশ:| শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি , ২০১৪ সময় ০৯:১৪ অপরাহ্ণ

দুই বাংলার অন্যতম রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। সংগীতের প্রায় পুরোটা পথ যিনি অতিক্রম করছেন রবীন্দ্র গান কণ্ঠে নিয়ে। রবীন্দ্র সংগীতের অ্যালবামও প্রকাশ করেছেন দুই বাংলা থেকে অগণিত। তবে এবার একটু ভিন্ন অবয়বে শ্রোতাদের সামনে হাজির হচ্ছেন অনন্য এ শিল্পী। অ্যালবাম করছেন প্রাচীন লোকজ ধারার বাংলা গান দিয়ে। ইতিমধ্যেই এ অ্যালবামের কাজ শুরু করে দিয়েছেন তিনি। এতে ডিএল রায়, অতুলপ্রসাদ, রজনীকান্তের গানসহ লোকজধারার মোট ১০টি গান থাকছে। এ প্রসঙ্গে বন্যা বলেন, রবীন্দ্রসংগীতের পাশাপাশি মঞ্চে বিভিন্ন সময় আমি প্রাচীন ধারার গানও গেয়ে থাকি। তবে সেটা খুবই অনুল্লেখযোগ্য। কয়েকটি অ্যালবামেও এ ধরনের দু-একটি গান রেখেছি। তবে লোকজ ধারার গান নিয়ে কখনও পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম করিনি। তাই একটু সময় নিয়ে কাজটি করতে চাচ্ছি। এতে আমার পছন্দের গানগুলোই রাখছি। এরই মধ্যে গান বাছাই চূড়ান্ত হয়েছে। চলছে সংগীতায়োজনের কাজ। আশা করি, চলতি বছরের শেষ নাগাদ অ্যালবামটি শ্রোতাদের হাতে তুলে দিতে পারবো। এদিকে লেকজ ধারার অ্যালবাম তৈরির পাশাপাশি বন্যা আরও একটি বিশেষ অ্যালবামের রেকর্ডিং নিয়ে
ব্যস্ত সময় পার করছে চলতি সময়ে। তৈরি করছেন পূজার গান নিয়ে পূর্ণাঙ্গ একটি অ্যালবাম। সংগীতের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে পূজা কেন্দ্রিক গান নিয়ে বন্যার এটাই প্রথম কোনও পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম। ভারতের শীর্ষ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এইচএমভির তত্ত্বাবধানে অ্যালবামটির রেকর্ড চলছে এখন। ভারতের এইচএমভি ছাড়াও বাংলাদেশে প্রকাশ পাবে অ্যালবামটি। এ প্রসঙ্গে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা বলেন, আমি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিভিন্ন ভাবনার ওপর গান করেছি। তারই ধারাবাহিকতায় এবার তার পূজার গানগুলো নিয়ে নতুন অ্যালবামটি করছি। এর কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। আসছে শারদীয় দুর্গোৎসবে অ্যালবামটি ওপার বাংলায় প্রকাশ হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশেও প্রকাশের কথাবার্তা চলছে। তবে বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। রবীন্দ্র সংগীতের এই অন্তঃপ্রাণ মঞ্চ পরিবেশনা ও অ্যালবাম রেকর্ডিংয়ের পাশাপাশি বর্তমানে তার গানের স্কুল ‘সুরের ধারা’র কার্যক্রম নিয়েও ব্যস্ত সময় পার করছেন। আগামীতে স্কুলটি নিয়ে তার নতুন কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। বন্যা বলেন, সুরের ধারাকে আন্তর্জাতিক মানের সংগীত প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। সে লক্ষ্যে আমরা ছাত্রশিক্ষক মিলে আপ্রাণ কাজ করে চলেছি।


আরোও সংবাদ