দাম কম থাকায় পাচার হয়ে যাচ্ছে চামড়া

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর , ২০১৪ সময় ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ

আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় দেশিয় বাজারে চামড়ার দাম কম থাকায় সীমান্ত এলাকা দিয়ে পাচার হয়ে যাচ্ছে কোরবানির পশুর চামড়া। এতে একদিকে যেমন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে দেশিয় চামড়া ব্যবসায়ীরা, অন্যদিকে বিপুর রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

কোরবানির চামড়া সীমান্ত দিয়ে পাচার হয়ে যাচ্ছে, এমন অভিযোগের ভিত্তিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জয়পুরহাট, হিলি সীমান্ত, বেনাপল বর্ডারসহ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো দিয়ে পাচার হয়ে যাচ্ছে কোরবানির পশুর চামড়া।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরো জানা যায়, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ভারতের চামড়া ব্যবসায়ীরা মোটা অংকের টাকা নিয়ে সীমান্তের কাছে অবস্থান করে। আর তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশে কাজ করছেন কয়েক হাজার এজেন্ট। তারা গ্রামে গ্রামে মধ্যসত্ত্বভোগীদের পাঠিয়ে কিনে নিচ্ছেন পশুর চামড়া। পরে এজেন্ট মারফত তা পৌঁছে যাচ্ছে সীমান্তে। আর এ মধ্যসত্ত্বাভোগীর ভূমিকা পালন করছেন গ্রামের বেকার যুবকরা।

জয়পুরহাটের বাসিন্দা আক্কাস মিয়া জানান, কোরবানি হওয়ার আগেই এসব মধ্যসত্ত্বভোগীরা তাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে চামড়ার দাম। কোরবানি শেষ হতেই মধ্যসত্ত্বাভোগীরা চামড়া সংগ্রহ করে পৌঁছে দিচ্ছে থানা বা উপজেলা পর্যায়ের ওইসব এজেন্টদের কাছে।

চামড়ার দরদাম জানতে চাইলে তিনি জানান, গরুর চামড়া দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত দেয়া হচ্ছে।

এদিকে শুক্রবার সকালে ধানমণ্ডিতে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবার চামড়ার দাম গত বছরের তুলনায় অনেক কম নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বছর লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম ঢাকায় ৭০ থেকে ৭৫ টাকা, ঢাকার বাইরে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। আর খাসি ৩০ থেকে ৩৫, ছাগল ২৫ থেকে ৩০ টাকা ও মহিষ ৩৫ থেকে ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিএফএলএলএফইএর চেয়ারম্যান এম আবু তাহের এ সময় বলেন, ‘চায়নাতে (চীন) আমরা প্রচুর চামড়া রপ্তানি করি। সেখানে সরকার নতুন করে রপ্তানির ওপর ১৭ শতাংশ ভ্যাট বসিয়েছে। যে কারণে আমরা একটু সমস্যার মধ্যে আছি।’


আরোও সংবাদ