দাম কমতে ও বাড়তে পারে যেসব পণ্যে

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ৫ জুন , ২০১৪ সময় ১০:১৭ অপরাহ্ণ

প্রস্তাবিত বাজেটে বেশ কিছু পণ্যের শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে সম্পূরক শুল্ক আরোপ, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) আরোপ, সারচার্জ আরোপ, ট্যারিফ বৃদ্ধিসহ রেয়াতি সুবিধা প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে ওইসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিড়ি, সিগারেট, তামাক, পটেটো চিপস, বাণিজ্যিকভাবে বাল্কে আমদানিকৃত গুঁড়ো দুধ, সংবাদপত্র ও প্রকাশনা শিল্পের জন্য আমদানি করা নিউজপ্রিন্ট, পাঁচ হাজার লিটারের নিচে ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন গ্যাস সিলিন্ডার, রেলওয়ে স্লিপার, ফ্লোট গ্লাস, আমদানি করা বিলেট, ফ্লোর কভারিংস ও ম্যাট, লোহা ও লোহার যন্ত্রাংশ, স্টিল যন্ত্রাংশ, আমদানি করা গোলাপ ফুল, অর্কিড, লিলি, অ্যালয় স্টিল, প্রিন্টিং প্লেট, বিল বোর্ড ও কেবিনেট তৈরির যন্ত্রাংশ, স্ট্রবেরি, মশার কয়েল, টেক্সটাইল পণ্য, পাটজাত পণ্য কার্পেট, সব ধরনের মাছ, বিদেশি ফল, আমদানি করা অ্যান্টিবায়োটিক এজিথ্রোমাইসিন, মিশ্র মসলা, কার্পেট, মাইক্রো বাস, এনার্জি সেভিং ল্যাম্প ইত্যাদি।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বেশ কিছু পণ্যে শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ও সম্পূরক শুল্ক কমানো বা প্রত্যাহারের প্রস্তাব করেছেন। এসব প্রস্তাব অনুমোদন পেলে ওই সব পণ্যের দাম কমবে।
যে সব পণ্যের দাম কমতে পারে সেগুলো হলো তরল ও গুঁড়া দুধ, সাবান, কোকাযুক্ত চকলেট, মাখন, শুকনা সুপারি, দেশীয় সিম কার্ড, মিল্ক ট্যাংকার, কাগজ তৈরির কাঁচামাল পাল্প, দেশে উত্পাদিত সৌন্দর্য ও প্রসাধনসামগ্রী, ত্বক ও কেশ পরিচর্যার সামগ্রী, মশার কয়েল, শেভিং ও টয়লেট্রিজ সামগ্রী, পোলট্রি, ডেইরি, ফিশ ফিড, সব ধরনের সার, ইনসুলিন, ইনসুলিন পেন, পঙ্গু ও প্রতিবন্ধীদের ব্যবহার্য হুইল চেয়ার, অন্ধদের জন্য তৈরি করা ঘড়ি, হাসপাতাল শয্যা, ওভেন ফেব্রিক্স, ওয়েব ক্যাম ও ডিজিটাল ক্যামেরা, গাড়ির অত্যাবশ্যকীয় অংশ গ্লাস ও উইন্ডশিল্ড, অপটিক্যাল ফাইবার কেবল, এলইডি ল্যাম্প, মেডিকেল যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল এফইপি, টেফলন টিউব, অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রাংশ, মিনিবাসের চেসিস, সার্ভার র্যাক, লাইফ বোর্ড, জাহাজের যন্ত্রপাতি, ডাম্প ট্রাক, সুপার শপের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ যেমন-কেবিনেট, শোকেস, ডিসপ্লে কাউন্টার, ভাঙা কাচের টুকরা ও প্লাস্টিকের বর্জ, বায়োগ্যাস প্লান্টের কাঁচামাল, কোবাল্ট অক্সাইড, সস, ট্র্যাকস্যুট, ইত্যাদি।
এ ছাড়া ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী কনসোলিডেটেড অবচয় সুবিধার পরিবর্তে বছরভিত্তিক অবচয় সুবিধা দেওয়ার সুপারিশ করায় পুরোনো গাড়ির দাম কমতে পারে।