দলীয় কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ না করে নেতা হওয়া যাবে না

প্রকাশ:| শনিবার, ৫ আগস্ট , ২০১৭ সময় ১০:৫৬ অপরাহ্ণ

মহানগর আওয়ামী লীগের জরুরি সভায় সিদ্ধান্ত

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটি গঠিত হবার পর থেকে যে সকল কর্মকর্তা ও নির্বাহী সদস্য সংগঠনের কর্মকান্ড এবং দলীয় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রয়ে নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন তাদেরকে পদ-পদবী থেকে অপসারণের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আজ বিকেলে দারুল ফজল মার্কেট কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় গৃহীত এক সিদ্ধান্তে বলা হয় ২০১৩ সালের ১৩ নভেম্বর চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটি গঠন হবার পর থেকে পদ-পদবীধারী কর্মকর্তা-সদস্যদের মধ্যে কেউ কেউ অদ্যাবধি কার্যকরী কমিটির একটি মাত্র সভায় এবং কেন্দ্রীয় ও স্থানীয়ভাবে ঘোষিত কোন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রয়েছেন তাদেরকে প্রতিনিয়ত তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও তারা সাড়া দিচ্ছেন না। তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য কেন্দ্রের কাছে একটি তালিকা প্রেরণ করা হবে। এতদ্বিষয়ে সংগঠনের তৃণমূল স্তরের ভিত্তিকে সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে আগাশী ঈদ-উল-আজহার পরপরই কার্যকরী পরিষদের সভা ও বর্ধিত সভা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ ছাড়া নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার গৃহীত পদক্ষেপগুলো অনতিবিলম্বে বাস্তবায়ন করার দাবী জানানো হয়। যানজট নিরসনে ট্রাফিক আইন ব্যবস্থা সুদৃঢ় করণের আহ্বান জানানো হয়। সভায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দরকে ধ্বংস ও জাতীয় অর্থনীতিকে পঙ্গু করার জন্য মহল বিশেষের ষড়যন্ত্রের ফলে কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা হারিয়েছে। ২০০৬ সালে বিএনপি-জামাত জোট সরকার কর্ণফুলী নদীর উপর ঝুলন্ত ব্রীজ করার জন্য তৎকালীন মেয়র এ.বি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী’র দাবীকে প্রত্যাখ্যান করে পিলার সেতু নির্মাণ করে। এর ফলে কর্ণফুলী নদীর বিস্তীর্ণ এলাকা ভরাট হয়ে যাওয়া কর্ণফুলীর নব্যতা হ্রাস সহ নগীতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে থাকে। সভায় কর্ণফুলী নদীতে অবিলম্বে ড্রেজিং করে নব্যতা রক্ষা এবং চট্টগ্রাম বন্দরকে ধ্বংস থেকে বাঁচানোর জোর দাবী জানানো হয়। সভায় জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর ৪২ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালনোপলক্ষে ১৫ আগস্ট মুসলিম ইনস্টিটিউট হলে আলোচনা সভা সহ বিভিন্ন কর্মসূচি গৃহীত হয়। এ ছাড়া সভাপতি এ.বি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী’র নেতৃত্বে টুঙ্গীপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণসহ বিস্তারিত কর্মসূচি পালিত হবে। সভায় ওয়ার্ড ও থানায় আলোচনা সভা ও বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সম্প্রচারের নির্দেশনা দেয়া হয়। সংগঠনের সহ-সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিন উপরোক্ত কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব নঈম উদ্দিন চৌধুরী, এড. সুনীল কুমার সরকার, জহিরুল আলম দোভাষ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম.এ. রসিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ হাসান মাহমুদ শমসের, প্রচার ও প্রকাশণা সম্পাদক আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম ফারুক, আইন সম্পাদক এড. ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, বন ও পরিবেশ সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, ধর্ম সম্পাদক হাজী জহুর আহমদ, বিজ্ঞঅন ও প্রযুক্তি সম্পাদক মানস রক্ষিত, মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক দেবাশীষ গুহ বুলবুল, মহিলা সম্পাদক জোবায়েদা নার্গিষ খান, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু তাহের, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডাঃ ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী, উপ প্রচার সম্পাদক শহীদুল আলম, উপ দপ্তর সম্পাদক জহরলাল হাজারী, নির্বাহী সদস্য এম.এ. জাফর, হাজী মোহাম্মদ ইয়াকুব, আবুল মনসুর, নুরুল আলম, নুরুল আমিন শান্তি, ছৈয়দ আমিনুল হক, আলহাজ্ব পেয়ার মোহাম্মদ, বখতিয়ার উদ্দিন খান, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, নজরুল ইসলাম বাহাদুর, ইঞ্জিনিয়ার বিজয় কিষান চৌধুরী, গৌরাঙ্গ চন্দ্রঘোষ, আলহাজ্ব মোহাব্বত আলী খান, অমল মিত্র, আবদুল লতিফ টিপু, মোহাম্মদ ইলিয়াস, মোহাম্মদ জাবেদ, মোর্শেদ আকতার চৌধুরী, হাজী বেলাল আহমেদ প্রমুখ।