দক্ষিণ ঢাকাখালী সম্মেলিত নববর্ষ বরণ উদ্যাপন পরিষদ

প্রকাশ:| শনিবার, ১৫ এপ্রিল , ২০১৭ সময় ০৮:১২ অপরাহ্ণ

রাউজানস্থ দক্ষিণ ঢাকাখালী সম্মেলিত নববর্ষ বরণ উদ্যাপন পরিষদ ১০২৪ বাংলা এর উদ্যোগে বর্ষ বরণ অনুষ্ঠান, গুণীজন সংবর্ধনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গত ১৪ এপ্রিল বিকাল ৫টায় উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি শহীদ শোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পরিচালক ডা. উত্তম কুমার বড়–য়া। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি, রূপালী ব্যাংকের পরিচালক দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ নেতা সাংবাদিক আবু সুফিয়ান। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১২নং উরকিরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুল জাব্বার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল বুড্ডিস্ট অরগানাইজেশন নর্থ আমেরিকার চেয়ারম্যান বাবু তপন চৌধুরী, আশুলিয়া বৌদ্ধ বিহারের বিহারাধ্যক্ষ ভদন্ত আশ্বিন রক্ষিত ভিক্ষু, উদ্যাপন পরিষদের সচিব রুপায়ন বড়–য়া কাজলের পরিচালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সঙ্গীতঙ্গ গৌতম বড়–য়া, ত্রিদিব বড়–য়া তপু, কর কর্মকর্তা রণজিত বড়–য়া, নববর্ষ বরণ উদ্যাপন পরিষদের সহ-সভাপতি বাবু সরোজ বড়–য়া রুপু, সহ-সভাপতি দিলিপ বড়–য়া, সদস্য বাবু বড়–য়া, তাপস বড়–য়া, সত্যজিত বড়–য়া, সুশিল বড়–য়া, বিপ্লব বড়–য়া, পরিমল বড়–য়া, পুর্ণবড়–য়া। মরোনোত্তর সংবর্ধনা প্রধান করা হয় উ তিলোক বংশ মহাথের, প্রয়াত যোগেন্দ্র লাল বড়–য়া মহাথের, প্রয়াত জ্ঞানন্দ লাল বড়–য়া, প্রয়াত আনন্দ মোহন বড়–য়া, প্রয়াত বিভুতি ভ’ষণ বড়–য়া, প্রয়াত বিপ্লবী আদিত্য রঞ্জন বড়–য়া, বিশুদ্ধ বড়–য়া, সমরেন্দ্র নাথ বড়–য়া, নলি গোপাল বড়–য়া, মিলন বড়–য়া, অমূল্য রতন বড়–য়া, সাতকড়ি বড়–য়া, বিশ্বমিত্র বড়–য়া, আসিফ ইকবাল, প্রান্ত কারণ, বিশ্বনাথ বড়–য়া, প্রদ্যুৎ বরণ বড়–য়া, ডা. সৃজিব বড়–য়া। সংবর্ধিত গুণীজন হিসেবে সংবর্ধিত করা হয় বাবু তুষার কান্তি বড়–য়া, তরুণ বড়–য়া, দিলিপ বড়–য়া, বাবু রাহুল কান্তি বড়–য়া, বাবু মিহির কান্তি বড়–য়া। সংগীত পরিবেশন করেন অন্তরা বড়–য়া, অদিতি বড়–য়া, রিয়া বড়–য়া, পুজা বড়–য়া, আবৃত্তি করেন শ্রাবস্তি বড়–য়া, অনুরোদ্ধ বড়–য়া, জুই বড়–য়া, নিশিতা চৌধুরী, দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন দিপশিকা নৃত্যালয়। সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, বাংলা নববর্ষ হোক বাঙালির অসম্প্রদায়িক চেতনায় ঐক্যের প্রতীক। বাংলা নববর্ষ বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতির ঐতিহ্যের অংশ। যুগে যুগে এই সংস্কৃতির চর্চা আরো বেগবান হচ্ছে। বাংলা নববর্ষ প্রত্যেক ধর্মের মানুষের জন্য একটি সার্বজনিন উৎসব। বাংলার মোগল স¤্রাট আকবর প্রথম বাংলা সাল ও নববর্ষের প্রথা চালু করেন। বাংলা নববর্ষ এখন বাঙালির প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়েছে। বাংলা নববর্ষের আনন্দকে সমগ্র বাঙালির মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে ইতিহাস ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায়। আগামী প্রজন্মকে দেশিয় সংস্কৃতির ইতিহাস জানার জন্য বাংলা নববর্ষকে আরো ব্যাপক ভাবে গ্রামে গঞ্জে পাড়ায় পাড়ায় স্কুল কলেজে বর্ষবরণের উৎসবের আয়োজন করতে হবে। তিনি বলেন জঙ্গীবাদ মুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের সকলকে অসম্প্রদায়িক চেতনায় ঐক্যের প্রতিক হিসেবে কাজ করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শ প্রজন্মের মাঝে পৌছে দিয়ে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য সকলকে যার যার জায়গায় দায়িত্ব অনুযায়ি কাজ করে যেতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকান্ডের প্রচার-প্রসার প্রান্তিক জনগোষ্ঠির মাঝে পৌছে দিতে হবে।