থানছিতে প্রশাসনের ত্রাণ ভান্ডার থেকে ৪৬ মে:টন চাল বরাদ্দ

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২৬ মে , ২০১৬ সময় ০৭:৫৯ অপরাহ্ণ

থানছি
বান্দরবান প্রতিনিধি:
বান্দরবানের থানছি উপজেলায় দূর্গমাঞ্চলের পাহাড়ী গ্রামে ভাতের চালের সংকট দেখা দেয়ায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৪৬ মেট্টিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আরো পর্যাপ্ত খাদ্য শষ্য প্রশাসনের ত্রান ভান্ডারে মওজুদ রয়েছে। বৃহস্পতিবার জেলার থানছিতে খাদ্য সংকট মোকাবেলায় প্রশাসন আয়োজিত প্রেসব্রিফিংএ আনুষ্ঠানিকভাবে কথাগুলো বলেছেন জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু জাফর, থানছি উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা চাহেলী তস্তরী, এনডিসি হোসাইন মো: আল মুজাহিদ’সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার কর্মরত গনমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক বলেন, জেলার থানছি উপজেলার রেমাক্রী, তীন্দু, সদর এবং বলিপাড়া চারটি ইউনিয়নের দুর্গমাঞ্চলে জিন্নাপাড়া, বাকলাই পাড়া, দলিয়ান পাড়া, বড়মদক ভীতর পাড়া, হৈয়োক খুমী পাড়া, যোগী চন্দ্র পাড়া, দুলুপাড়া’ রেমচং পাড়া’সহ আশপাশের পাহাড়ী গ্রামগুলোতে ভাতের চালের সংকট দেখা দিয়েছে। ইউনিয়নগুলোর প্রায় আড়াই হাজারের মত মানুষ এ সংকটে ভূগছেন। সংকট মোকাবেলায় স ংকটাপন্ন পরিবারগুলোর তালিকা তৈরি করা হচ্ছে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে। ইতিমধ্যে তালিকাভূক্ত প্রায় ২৩শ মানুষের জন্য দু’দফায় জেলা প্রশাসনের ত্রান ভান্ডার থেকে ৪৬ মেট্টিক টন চাল দূর্গত এলাকায় পাঠানো হয়েছে। আরো প্রায় দুইশ ৪৬ মেট্টিক টন চাল ত্রাণ ভান্ডারে মওজুদ রয়েছে।
জেলা প্রশাসক দাবী করে বলেন, আগামী অক্টোবর মাস পর্যন্ত চালের এ সংকট পাহাড়ী গ্রামগুলোতে থাকবে। কিন্তু সরকারের কাছে পর্যাপ্ত খাদ্য শষ্য মওজুদ আছে। সংকটে ভয়ের কোনো কারণে নেই। যতদিন পর্যন্ত প্রয়োজন সরকার চালের ব্যবস্থা করবে। আগামীতে যেন এ সংকট তৈরি না হয়, সেজন্য দূর্গমাঞ্চলগুলোর মানুষদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে বিকল্প কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেয়া হবে।


আরোও সংবাদ