তুলে নিয়ে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর , ২০১৬ সময় ০৯:৫১ অপরাহ্ণ

কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া :
জাতীয় দৈনিক ও আঞ্চলিক দৈনিক সহ কয়েকটি অনলাইন পত্রিকায় উখিয়ায় হাসপাতাল থেকে তুলে নিয়ে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের সংবাদ প্রকাশিত হলে পুলিশ প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে স্কুল ছাত্রীর মা বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামী করে উখিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। যাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় তারা হলেন রাজাপালং ইউনিয়নের পূর্ব সিকদার বিল গ্রামের কালু মিয়া ওরফে কালু মিস্ত্রির পুত্র গিয়াস উদ্দিন (২৫) কে প্রধান আসামী করে অজ্ঞাত নামা ৩ জন। মামলাটি নথিভূক্ত করা হয়েছে বলে জানান উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল খায়ের। জানা যায়, সোমবার রাতে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন মায়ের সঙ্গে হাসপাতালে অবস্থান করছিলেন সোনার পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়–য়া মেয়েটি। রাত ১ টার দিকে হাসপাতালের ওয়াশরুম থেকে মায়ের কাছে ফেরার পথে ৫/৬ জন দূর্বৃত্ত অস্ত্রের মুখে মেয়েটিকে তুলে নিয়ে যায়। পরে ঘটনার ঘন্টা-দেড়েক পর স্থানীয়রা হাসপাতাল সংলগ্ন কবরস্থান এলাকা থেকে মেয়েটিকে বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার করেছে। পরিবারের অভিযোগ, স্কুলপড়–য়া মেয়েটিকে দূর্বৃত্তরা তুলে নিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। পরে মঙ্গলবার সকালে অজ্ঞাত ২/৩ জন যুবক হাসপাতালে এসে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য হুমকী দিয়েছে। এ নিয়ে তারা মঙ্গলবার দিন থানায় মামলা করতে সাহস পাননি। অভিযোগ উঠা ধর্ষণের শিকার হওয়া মেয়েটির শারীরিক পরীক্ষা করতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানা যায়। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আদিল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা ঘটনার সময় দায়িত্বরত হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এতে ঘটনার সময় নাইট গার্ডের দায়িত্বে থাকা মোজাম্মেল ও রাশেদের কথা-বার্তায় ব্যাপক অমিল পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। ঘটনার ব্যাপারে করণীয় নির্ধারণে বুধবার বিকালে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানান আদিল। এদিকে পুলিশ ঘটনার তদন্তপূর্বক আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে বলে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের জানান।