তিন গ্রুপের শীর্ষ নেতারা মাঠে ছিলেন না

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি , ২০১৮ সময় ০৮:০৮ অপরাহ্ণ

হাটহাজারী সংবাদদাতাঃ
বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার রায়কে ঘিরে হাটহাজারীর রাজপথে বিএনপির শীর্ষ নেতাকর্মীরা না থাকলেও সক্রিয় ছিলেন আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

৮ই ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্পটে অবস্থান নিলেও চোখে পড়ার মত তেমন অবস্থান নিতে পারেনি বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে বিএনপির সাধারন নেতাকর্মীদের মাঝে।

মাঠে সক্রিয় ছিলেন না  সাবেক মন্ত্রী-বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোঃ নাছির উদ্দীন, সাবেক এমপি ওয়াহেদুল আলম (তবে তিনি বর্তমানে অসুস্থ), বিএনপিস চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা এস এম ফজলুল হক, উত্তর জেলা বিএনপির পদের জন্য সক্রিয় হয়ে উঠা ভিপি নাজিম উদ্দীন এবং নুর মোহাম্মদ। এ ছাড়াও মাঠে ছিলেন না উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম।

এ দিকে নতুন নেতৃত্ব ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা এবং ব্যারিস্টার মীর হেলাল মাঠে নিজেদের আলাদা গ্রুপ নিয়ে এমনি সক্রিয় থাকলেও বৃহস্পতিবার দলের শীর্ষ নেতার রায় ঘোষনার দিন ছিলেন হাটহাজারীতে নিক্রিয়।

এসব কারণে তৃণমূল নেতাদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তারা বলছেন, কেবল পদ-পদবি পাওয়ার জন্যই সবাই লড়াই করে। দলের জন্য কারও দরদ নেই। রায় ঘোষণার আগে নানা হুংকার দিলেও প্রকৃত অর্থে তারা আন্দোলনের প্রস্তুতি নেয়নি। কেবল বলার জন্যই বলেছে।

নাম প্রকান না করার শর্তে এক যুবনেতা বলেন বিএনপির ঘাটি হিসেবে পরিচিত হাটহাজারী উপজেলায় সবাই নেতা হতে চায়। তাদের লক্ষ্য পদ পদবি দিয়ে তারা ক্ষমতা আথবা অর্থ কামাবে। ১/১১ এর পর অনেকে বিএনপির দু:সময়ে দূরে ছিলেন আন্দোলন সংগ্রামে কোন ভুমিকা রাখেননি। এরা আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে শুধুমাত্র কমিটিতে ভালো পদ পাওয়ার জন্য। যেমন ধরুন আজ এদের কেউ মাঠে নেই। দলের প্রয়োজনে এদের পাওয়া যাবেনা। এরা আখের গুছিয়ে সটকে পড়বে দলের কাজে আসবেনা। প্এরা নিজেদের ব্রিক্রি তথা আতাত করতেও পিছপা হবেনা।