তারাছামুখ থেকে আরো একটি লাশ উদ্ধার

প্রকাশ:| সোমবার, ৩১ জুলাই , ২০১৭ সময় ০৯:০৩ অপরাহ্ণ

বান্দরবানের রুমা সড়কে পাহাড় ধসে নিখোজ

বান্দরবান প্রতিনিধি॥
বান্দরবানের রুমা সড়কে পাহাড় ধসে নিখোজ আরো একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার তারাছামুখ এলাকায় সাঙ্গু নদী থেকে পুলিশ একটি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। উদ্ধার হওয়া মৃতদেহটি বান্দরবান হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। লাশের পাশে কালো রঙের পেন্টের কাপড় পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে লাশটি গত২৩ জুলাই বান্দরবানের রুমা সড়কের দলিয়ান পাড়ায় পাহাড় ধসে নিখোজ পোষ্ট মাস্টার মো: রবিউল আলমের। তবে দীর্ঘদিন পানি ও মাটির নিচে থাকায় লাশটি চেনা যাচ্ছেনা। মৃতদেহটি সনাক্ত করতে পোস্ট মাস্টারের ছেলে শামিম রেজা কুমিল্লা থেকে বান্দরবান আসছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রোয়াংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অমর আলী জানান, রোয়াংছড়ি উপজেলার তারাছামুখ এলাকায় সাঙ্গু নদী থেকে আরো একটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে লাশটি গত ২৩ জুলাই বান্দরবানের রুমা সড়কের দলিয়ান পাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে নিখোজ রুমা উপজেলা পোষ্ট মাস্টার মো: রবিউল আলমের। চারদিন আগে একি স্থান থেকে পাহাড় ধসে নিখোজ কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা গৌতম নন্দি’র লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল।
বান্দরবানের ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট অফিসার ইকবাল হোসেন বলেন, গতরোববার ২৩ জুলাই বান্দরবানের রুমা সড়কের দলিয়ান পাড়া এলাকায় দুটি বাসের যাত্রীরা বাস পরিবর্তনের জন্য পাহাড় ধসে বিধস্ত ভাঙ্গা সড়কপথ পায়ে হেটে পার হওয়ার সময় বৃষ্টিতে পাহাড় ধসে ৫ জন নিখোঁজ হয়। নিখোঁজদের মধ্যে প্রথমদিনেই ঘটনাস্থল থেকে পাড়া প্রধান মংশৈহ্লা কার্বারীর ছোট মেয়ে চিংমে হ্লা মারমা লাশ, তৃতীয়দিন বাশখালীতে নদী থেকে অমর বড়–য়ার স্ত্রী স্বাস্থ্য সহকারী মুন্নি বড়–য়া’র লাশ এবং পঞ্চমদিন রোয়াংছড়ি উপজেলার তারাছামুখ সাঙ্গু নদী থেকে কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা গৌতম নন্দি’র লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ঘটনায় নিখোজ দুজনের মধ্যে নতুন উদ্ধার হওয়া লাশটি কার এখনো সনাক্ত করা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে লাশটি ডাক বিভাগের কর্মচারী মো: রবিউল আলমের। এছাড়াও পাড়া প্রধান মংশৈহ্লা কার্বারীর বড়মেয়ে উমেচিং মারমাও হতে পারে।