তামাক চাষকে নিরুৎসাহিত করতে হবে-পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ:| শনিবার, ৮ আগস্ট , ২০১৫ সময় ০৯:০৭ অপরাহ্ণ

পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী
বান্দরবান প্রতিনিধি ॥
বান্দরবানে ইক্ষু গবেষণা-উন্নয়ন জোরদারকরণ শীর্ষক কর্মশালা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি বলেছেন, দেশের কৃষকরা বাঁচলে বাচবে দেশ এবং দেশের মানুষ। স্বল্প সময়ে, কম খরচে অধিক লাভজনক ফসল চাষে আগ্রহী কৃষকেরা। গবেষণায় ইক্ষু চাষের সঙ্গে সঙ্গে সাথীফসল চাষের পদ্ধতি প্রশংনীয়। কিন্তু পরীক্ষা নিরিক্ষার মাধ্যমে মাটির গুনাগুন পরীক্ষা করে অঞ্চল ভেদে ফসল চিহ্নিত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, তামাক চাষকে নিরুৎসাহিত করতে হবে। শুধুমাত্র ইক্ষু চাষ নয়, সব ধরণের লাভজনক চাষাবাদে কৃষকদের আগ্রহী করে তোলতে হবে। লাভজনক হওয়ায় একি কৃষিপণ্য চাষের দিকে যুগলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে কৃষকেরা। উদাহারণ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বান্দরবানে একসময় প্রতি জোড়া আনারস বিক্রি হত ৫০/৬০ টাকায়। কিন্তু চাষাবাদ বেড়ে ভালো ফলন হওয়ায় দাম কমে গেছে আনারসের। প্রতি জোড়া এখন বিক্রি হচ্ছে ২০/২৫ টাকায়। দাম না পাওয়ার প্রভাবে হতাশ হয়ে কৃষকের চাষ বন্ধ করে দেবে।

বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনষ্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. এম খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈ হ্লা, কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. নূরুল আলম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাঙামাটির উপ-পরিচালক হারুনুর রশীদ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোমিনুর রশীদ আমিন, বান্দরবান ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক কেসাইন, হর্টিকালচারের পরিচালক রফিকুল ইসলাম ভূইয়া, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আলতাফ হোসেন, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষি পদ দাশ, ক্যসা প্রু মারমা’সহ পার্বত্য চট্টগ্রামের সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ইক্ষু চাষের সফলতার জন্য তিন পার্বত্য জেলার ৪ জন চাষীকে সম্মাননা পুরুস্কার দেয়া হয়। এছাড়াও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি এবং পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা মারমাকে সম্মাননা ক্রেস্ট দেয়া হয় ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্রের পক্ষ থেকে।


আরোও সংবাদ