তরুণরা পরিবেশ সুরক্ষায় এগিয়ে আসবে

প্রকাশ:| শনিবার, ২৫ নভেম্বর , ২০১৭ সময় ১০:৫৩ অপরাহ্ণ

চিন্তা চর্চা আয়োজিত স্মরণানুষ্ঠানে বক্তারা

 

নিসর্গসখা, বিজ্ঞান সাধক দ্বিজেন শর্মার স্মরণানুষ্ঠান অদ্য ২৫শে নভেম্বর নগরীর সুপ্রভাত স্টুডিও হলে শিক্ষাবিদ প্রফেসর রণজিত দে’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। স্মরণসভায় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন চিত্রশিল্পী প্রফেসর আবুল মনসুর, প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর জ্যোতি বিকাশ ধর, পরিবেশবিদ অধ্যাপক ইদ্রিস আলী ও চুয়েট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ রুনু মজুমদার। কবি-নিসর্গী মুশফিক হোসাইনের লিখিত দ্বিজেন শর্মার জীবন ও কর্ম শীর্ষক প্রবন্ধটি পাঠ করেন শিক্ষক উত্তম কুমার আচার্য। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চিন্তা চর্চা’র আহ্বায়ক সাংবাদিক সুভাষ দে। ধন্যবাদ সূচক বক্তব্য রাখেন ইকো ফ্রেন্ডস্’র সম্পাদক নোমান উল্লাহ বাহার। মুক্তিযোদ্ধা বালাগাত উল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রকৃতির সংহারযজ্ঞে দ্বিজেন শর্মা ব্যথিত হতেন। তাঁর প্রতিবাদ তাই ছিলো প্রকৃতিসংহারী, পরিবেশ সংহারীদের বিরুদ্ধে। সেই আন্দোলন তিনি ছড়িয়ে দিয়েছেন তরুণদের মাঝে। শহরে-গ্রামে আজ প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় যে সচেতনতা তাতে দ্বিজেন শর্মার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি নিজে বৃক্ষ রোপণ করেছেন, বৃক্ষ ও ফুল চিনিয়েছেন, এসব নিয়ে লিখেছেন প্রচুর।
অনুষ্ঠানে প্রফেসর আবুল মনসুর বলেন, দ্বিজেন শর্মার বিখ্যাত কাজ এশিয়াটিক সোসাইটির বাংলা পিডিয়া ও ৫৬ খন্ডের ফ্লোরা এন্ড ফোনার সম্পাদনা। মননশীল সাহিত্যকর্মে তিনি বিশেষ ধারা সৃষ্টি করেছেন। প্রফেসর জ্যোতি বিকাশ ধর দ্বিজেন শর্মাকে প্রকৃতির সন্তান আখ্যায়িত করে বলেন, প্রকৃতি ও পরিবেশের সংহার রোধে দ্বিজেন শর্মার আন্দোলন তরুণদের অনুপ্রেরণা যোগাবে। অধ্যক্ষ রুনু মজুমদার বলেন, দ্বিজেন শর্মা তার লেখায় বিজ্ঞানের নানা বিষয় সহজবোধ্য করে তুলেছেন।
অধ্যাপক ইদ্রিস আলী বলেন, দ্বিজেন শর্মা প্রকৃতির শত্র“ মিত্র চিনিয়েছেন আমাদের। সবুজ প্রকৃতির জন্য তাঁর আজীবন সাধনা ছিল। সমাজকে পরিবেশমনষ্ক করে তোলার ব্যাপারে তিনি উদগ্রীব ছিলেন।

 


আরোও সংবাদ