তত্ত্বাবধায়ক সরকার না হোক, নির্বাচনকালে একটি ‘যৌথ সরকার’ হতে পারে

প্রকাশ:| বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর , ২০১৩ সময় ১০:৪৬ অপরাহ্ণ

ব্যারিস্টার রফিক-উল হকনির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে ‘যৌথ সরকার’ এর প্রস্তাব তুলে ধরে সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বলেছেন, বিরোধীদল তত্ত্বাবধায়ক সরকার চাচ্ছে, সরকার রাজি হচ্ছে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার না হোক, নির্বাচনকালে একটি ‘যৌথ সরকার’ হতে পারে।

আজ বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে তারেক রহমানের ৬ষ্ঠ কারামুক্তি দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ প্রস্তাব তুলে ধরেন। উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরাম নামের এক সংগঠন এ সভার আয়োজন করে

সরকারি ও বিরোধীদল উভয় পক্ষের ব্যক্তিদের সমন্বয়ে এই ‘যৌথ সরকার’ হবে বলে স্পষ্ট করে তিনি বলেন, এতে দু’পক্ষের ব্যক্তিরাই থাকবেন।

বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার রফিক বলেন, তত্ত্বাবধায়ক হোক বা না হোক, আগামী নির্বাচনে আপনারা বিপুল ভোটে জিতবেন।

তিনি বলেন, কিন্তু সেটা আওয়ামী লীগকে গালাগাল করে হবে না। মানুষ এখন জানে কোথায় ভোট দিতে হবে।

ব্যারিস্টার রফিক বিরোধীদলের উদ্দেশে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার হয়তো হবে না, কিন্তু এছাড়া নির্বাচন হবে না বললেও ভেতরে ভেতরে নির্বাচনের প্রস্তুতি রাখতে হবে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা মঙ্গলবার বলেছেন, নির্বাচনকালে বড় কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না। আমি চাই, একটি অর্থপূর্ণ নির্বাচন, যে যাকে ভোট দিতে চাইবে, তাকেই যেন দিতে পারে। মিডিয়ার আধিক্যে নির্বাচনে কারচুপির সুযোগ কমে গেছে।

সংগঠনের উপদেষ্টা ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক আ. ফ. ম. ড. ইউসুফ হায়দার, ড. কে এ এম শাহাদাত হোসেন মন্ডল, কামাল উদ্দিন সবুজ, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, ড. তাজমেরী এস. এ. ইসলাম, সৈয়দ আবদাল আহমদ, এস. এম. শফিউজ্জামান খোকন, আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।