ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটিতে ভোটার তালিকা হালনাগাদ সোমবার

প্রকাশ:| রবিবার, ৩১ আগস্ট , ২০১৪ সময় ১০:৩৯ অপরাহ্ণ

নির্বাচন কমিশনঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীসহ দেশের মোট ১২০ উপজেলায় সোমবার থেকে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে মিডিয়া সেন্টারে ঢাকা মহানগরী ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রবিবার দুপুরে তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, হালনাগাদ কার্যক্রমের তৃতীয় পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। তথ্য সংগ্রহকারীরা ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবে। ১৮ তারিখ থেকে শুরু হবে নিবন্ধন ও ছবি তোলার কাজ।

সিইসি জানান, আগামী জানুয়ারির মধ্যে যাদের বয়স ১৮ বছর হবে তারা ভোটার হতে পারবেন। এ ছাড়া যারা পূর্বে ভোটার হতে পারেননি তারাও তথ্য দিয়ে ভোটার হতে পারবেন। কমিশন ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ শুরু করে গত ১৫ মে। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের হালনাগাদে মোট ভোটার বৃদ্ধি হয়েছে ৩০ লাখ ৮২ হাজার ২৮৭ জন, যা লক্ষ্যমাত্রার ৩ দশমিক ৮১ শতাংশ।

দ্বৈত ভোটারদের বিষয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমাদের সার্ভারে সকল তথ্য সন্নিবেশ করা আছে। তাই কেউ দুই জায়গায় ভোটার হওয়ার চেষ্টা করবেন না। দ্বৈত ভোটার হওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আমরা কাউকে শাস্তি দিতে দ্বিধাবোধ করব না। কারো যদি নামে বানান ভুল হয় সেক্ষেত্রে অন্য কোথাও ভোটার হওয়ার দরকার নেই। এটি সংশোধনের সুযোগ আছে।’

কাজী রকিব আরও বলেন, ‘তথ্য সংগ্রহকারীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে কোনো বাসায় যদি কেউ না থাকে সেক্ষেত্রে সংগ্রহকারীরা যেন তাদের মোবাইল নম্বর নিয়ে আসেন। যাতে তাদের সঙ্গে পরবর্তী সময়ে যোগাযোগ রাখা যায়। এ ছাড়া তারা যদি হালনাগাদের সময় ভোটার নাও হতে পারে তবে পরবর্তী সময়ে ভোটার হওয়ার সুযোগ আছে।’

নারী ভোটার কমে যাওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘বিভিন্ন এলাকায় নারী ভোটার বৃদ্ধির হার কম হওয়ায় আমরা উদ্বিগ্ন। আমরা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করেছি। কমিশন ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ের কমিটি, এনজিও সংস্থা এবং নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছে। মহিলা অধিদফতর ও বিভিন্ন এনজিওর মাধ্যমে আমরা নারী ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছি।’
কমিশনের পক্ষ থেকে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হয় কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যেহেতু অডিট ফার্মের মাধ্যমে তথ্য যাচাই-বাছাই হয়ে আসে তাই আমাদের আর যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন হয় না। আইনে এমনটিই আছে।’