ঢাকা ও চট্টগ্রামে একযোগে ৩.৫জি নেটওয়ার্ক চালু করল রবি

প্রকাশ:| শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর , ২০১৩ সময় ০৮:০৮ অপরাহ্ণ

ribi 3gঢাকা ও চট্টগ্রামে একযোগে ৩.৫জি নেটওয়ার্ক চালু করল মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান রবি আজিয়াটা লিমিটেড।

আজ শনিবার অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নেটওয়ার্ক চালু করা হয়। মুঠোফোন অপারেটরদের মধ্যে রবিই প্রথম একসঙ্গে দেশের প্রধান দুটি শহরে এই নেটওয়ার্ক চালু করল।

রাজধানীর গুলশানে রবির প্রধান কার্যালয়ে ৩.৫জি নেটওয়ার্কের উদ্বোধন করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী সাহারা খাতুন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু বকর সিদ্দিক, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বিটিআরসি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, রবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাইকেল ক্যুনার প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৬০ শতাংশকে ৩.৫জি সেবার নেটওয়ার্কের আসতে পারবে। আর ২০১৪ সালের প্রথম প্রান্তিকের মধ্যে রবির ৬০ শতাংশ গ্রাহক এই নেটওয়ার্কের মধ্যে আসবেন।

আগামী অক্টোবর থেকে রবি গ্রাহকেরা বাণিজ্যিকভাবে থ্রিজি সেবা পাবেন। তবে গ্রাহকেরা চাইলে এখনই থ্রিজি সেবা উপভোগ করা যায় এমন মুঠোফোন (হ্যান্ডসেট) ও ট্যাবলেট নিয়ে গুলশান ও চট্টগ্রামের ওয়াক ইন সেন্টারে রবির ৩.৫জি সেবা ব্যবহারের অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, আগামী কয়েক সপ্তাহজুড়ে ধাপে ধাপে কয়েকটি জেলায় ৩.৫জি প্রযুক্তি চালু এবং গ্রাহকদের সাশ্রয়ী ইন্টারনেট সুবিধা দেবে রবি। ইতিমধ্যে বিটিআরসির কাছ থেকে ৩.৫জি ট্যারিফ অনুমোদন পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে রবি। ট্যারিফ অনুমোদন পাওয়ার পর বাণিজ্যিক এই সেবা দেওয়ার শুরু করবে প্রতিষ্ঠানটি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাহারা খাতুন বলেন, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুতগতির ইন্টারনেট-সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। এই প্রযুক্তির অসীম সম্ভাবনা রয়েছে। টেলিযোগাযোগ হচ্ছে বৈশ্বিক অর্থনীতির পাওয়ার হাউস। তিনি জানান, বর্তমান সরকারের আমলেই ৯৫ শতাংশ অঞ্চল টেলিনেটওয়ার্কের আওতায় এসেছে। আর শতভাগ জনগোষ্ঠীর কাছে নেটওয়ার্ক পৌঁছেছে। গিয়াসউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘মুঠোফোন অপারেটরদের থ্রিজি সেবার মান ধরে রাখতে পারব বলে আশা করি।’

মাইকেল ক্যুনার বলেন, থ্রিজি সেবার মাধ্যমে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ শিল্পে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। এর মাধ্যমে বিশ্বের সবচেয়ে অগ্রসর টেলিযোগাযোগ বাজারে প্রবেশ করল বাংলাদেশ।


আরোও সংবাদ