ডিসেম্বরেই নতুনরূপে সাজবে বিমান বন্দর সড়ক

প্রকাশ:| সোমবার, ২ অক্টোবর , ২০১৭ সময় ১০:০২ অপরাহ্ণ

সিটি মেয়রের সাথে জিপিএইচ গ্রুপের বৈঠক

চট্টগ্রাম নগরীকে আধুনিক ও বিশ্বমানের পর্যায়ে গড়ে তুলতে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন একের পর এক প্রকল্প হাতে নিচ্ছেন। তিনটি প্রকল্প দৃশ্যমান ও প্রশংসিত হওয়ার পর এবার দৃষ্টি দিয়েছেন নগরীর প্রবেশদ্বার খ্যাত বিমান বন্দর সড়ক সংস্কার এবং আধুনিকীকরণ কাজে। একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছে ইতিমধ্যে ডিজাইন তৈরী ও পরবর্তী করণীয় নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মেয়রের আন্দরকিল্লা বাসভবনে জিপিএইচ গ্রুপের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ও চসিক প্রকৌশলীদের মাঝে এক বৈঠকে সল্টগোলা ক্রসিং থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত চার লেইন বিশিষ্ট সড়ক, ফুটপাত নির্মাণ, এলইডি লাইট স্থাপন, আইল্যান্ডে সবুজ ঘাসের মাঝে দৃষ্টিনন্দন ভাষ্কর্য ও গার্ডেন লাইট স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। এ সময় জিপিএইচ গ্রুপের প্রকৌশলীরা তাদের অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা উপস্থাপন করে প্রকল্প বাস্তবায়নে মেয়রের সহযোগিতা কামনা করেন।
মেয়র মাল্টিমিডিয়া পর্দায় জিপিএইচ গ্রুপের প্রকল্প উপস্থাপন পর্যবেক্ষন করে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু করার নির্দেশনা দেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এ প্রকল্পের কাজ শেষ করা সম্ভব হবে। এ ব্যাপারে সর্বাতœক সহযোগিতা করবেন বলে মেয়র আশ্বস্থ করে বলেন, যে সব বেসরকারী প্রতিষ্ঠান নগরীর উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে এগিয়ে আসবে তাদের যাবতীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে। এ সময় মেয়র বলেন, অতিবৃষ্টির কারণে যেসব সড়ক ক্ষত-বিক্ষত হয়ে গেছে তা দ্রুত সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। নগরীর প্রায় সব প্রধান সড়কগুলো চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এতে নগরবাসীর দুর্দশা চরম আকার ধারণ করেছে। প্রাকৃতিক কারণে এমন দুর্ভোগ তৈরী হওয়ায় আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। এ ছাড়া ফ্লাইওভারের জন্য যেসব সড়ক চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তা দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার করা জরুরী বলে মনে করি। এ বৈঠকে মেয়র জানান, গৃহকর নিয়ে নগরবাসীর দাবির ব্যাপারে আমি অবহিত হলেও মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের বাইরে কোন কাজ করতে পারব না। দেশের সকল সিটি কর্পোরেশন একই পন্থায় গৃহকর আদায় করছে। এ ক্ষেত্রে আমি নগরবাসীর উপর কোন অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দিইনি। এ ব্যাপারে আমাকে ভুল বুঝার অবকাশ নেই। আমি এ নগরীর সন্তান, নগরবাসীর দুঃখ আমি বুঝতে পারি, তবে সরকারী সিদ্ধান্ত মানতে আমি বাধ্য। যারা আপিল করবেন তাদের সর্বাতœক সহযোগিতা দিয়ে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করব। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক বীর চট্টগ্রাম মঞ্চ’র সম্পাদক সৈয়দ উমর ফারুক, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, চসিকের প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, নগর পরিকল্পনাবিদ রেজাউল করিম, স্থপতি মোহাম্মদ ওমর, নির্বাহী প্রকৌশলী অসীম বড়–য়া, জিপিএইচ গ্রুরে পক্ষে উপস্থিত ছিলেন মিডিয়া এডভাইজার ওসমান গনি চৌধুরী, এক্সকিউটিভ ডাইরেক্টর এ বি সিদ্দিক, প্রকৌশলী এমরান এবং আইটি ম্যানেজার এস এম মোখতাদির।


আরোও সংবাদ