ডিসি হিলে অনুষ্ঠান বন্ধ করা অপশক্তিকে প্রশ্রয় দেওয়ার শামিল

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর , ২০১৭ সময় ১০:৫৭ অপরাহ্ণ

নগরীর ডিসি হিলে অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা প্রতিক্রিয়াশীল সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে প্রশ্রয় দেওয়ার শামিল। কঠোর আন্দোলন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ ধরনের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে।

বাঙালি ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতিচর্চার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র ডিসি হিলে তিনটি অনুষ্ঠান ছাড়া সব ধরনের অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে তার প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন।

শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) বিকেলে ডিসি হিল চত্বরে যুব ইউনিয়ন চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে এ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার দাবি জানান বক্তারা।

যুব ইউনিয়নের চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সদস্য রিপায়ন বড়ুয়ার সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তারা বলেন, ডিসি হিলের মতো স্থানে অনুষ্ঠান করতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুধু স্বাভাবিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের গতিশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করবে না, এতে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও মৌলবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে সহায়ক হবে। এ সিদ্ধান্ত ‘সুস্থ সংস্কৃতি চর্চার’ প্রতিবন্ধক ও বাঙালি ঐতিহ্যের লোকসংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে। সব সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তের অর্থ হচ্ছে, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের টুঁটি চেপে ধরা। অতীতেও এ ধরনের ষড়যন্ত্র হয়েছিল। কিন্তু চট্টগ্রামের ছাত্র-যুব ও সংস্কৃতিকর্মীরা সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। আগামীতেও এ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে উঠবে।

যুব ইউনিয়ন চট্টগ্রামের সহ-সাধারণ সম্পাদক জাবেদ চৌধুরীর সঞ্চলনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক শীলা দাশগুপ্তা, যুব ইউনিয়ন চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল শিকদার, সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রীতম সাহা, ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও চবি সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল, চট্টগ্রাম জেলার আহ্বায়ক গোলাম সরোয়ার, চুয়েটের মনীষী রায় প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, যেখানে সরকার জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও মৌলবাদ প্রতিরোধে সারা দেশে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর জন্য বিশেষ জোর দিয়েছেন সেখানে সব ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ করার ষড়যন্ত্র জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতাকে উৎসাহিত করবে। জেলা প্রশাসনের এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার কারণে