ডিসি হিলের সংযোগ সড়কে প্রতিবাদী আল্পনা

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল , ২০১৭ সময় ১০:২৬ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রামে দেয়ালচিত্রে মবিল ঢেলে দিয়ে দুস্কিৃতিকারীরা ভেবেছিল মুছে দেওয়া গেছে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের বর্ণিল রং। এ অপকর্মের প্রতিবাদে চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা একদিন পরে ডিসি হিলের সংযোগ সড়ক এভাবে ৩৭ হাজার বর্গফুটের বর্ণিল আল্পনায় রাঙিয়ে তোলে।

এই মুর্খরা জানে না, জোর করে, চাপিয়ে দিয়ে, ভয় দেখিয়ে, হত্যা করে, কাপুরুষের মতো রাতের আধারে আক্রমণ করে কোনো ধর্ম, মতবাদ, আদর্শ প্রতিষ্ঠা করা যায় না। অতীতে পারেনি কেউ, ভবিষ্যতেও পারবে না। শেষ পর্যন্ত মানুষই জয়লাভ করে।

পহেলা বৈশাখে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে সাড়ে ৩৭ হাজার বর্গফুটের বর্ণিল আলপনা। ডিসি হিলকে ঘিরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের ৭১ জন শিক্ষার্থী রাত জেগে আল্পনায় ইতিহাস গড়েন। তুলে ধরেন আবহমান বাংলার ঐতিহ্য।

বাংলালিংক ডিজিটালের উদ্যোগে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের সহযোগিতায় এশিয়াটিক ইএক্সপি’র তত্ত্বাবধানে বৌদ্ধমন্দিরের সামনের গোলচত্বর থেকে শুরু করে নন্দনকাননের বন সংরক্ষকের কার্যালয়ের সামনে পর্যন্ত প্রায় পৌনে এক কিলোমিটার দীর্ঘ আল্পনাকে ঘিরে এখন চলছে সেলফির মহোৎসব।

‘বাংলালিংক আলপনায় বাংলাদেশ’ শিরোনামের এ কর্মযজ্ঞ সম্পর্কে জানতে চাইলে নাট্যজন আহমেদ ইকবাল হায়দার বাংলানিউজকে বলেন, বর্ষবিদায়ের দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসায় ফেরার পথে বাংলালিংকের উদ্যোগে এবং বার্জার পেইন্টসের সহযোগিতায় আলপনা আঁকতে দেখি একঝাঁক তরুণকে। ১৯৭৮ সালে প্রথম এক ঘণ্টার অনুষ্ঠান দিয়ে ডিসি হিলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল। এখন তো বর্ষবিদায় ও বরণ মিলে দুদিনের অনুষ্ঠান হচ্ছে। ৩৯ বছরে এটি চট্টগ্রামের প্রধানতম উৎসবে পরিণত হয়েছে। এবার বাংলালিংকের এ দীর্ঘ আলপনা ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে উৎসবে