‘ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছে সরকার’

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি , ২০১৭ সময় ১০:১১ অপরাহ্ণ

বর্তমান সরকার প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মন্ত্রীর একান্ত সচিব মু. মোহসিন চৌধুরী।

রাউজানের বিনাজুরী নবীন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ গভর্নিং বডির সাথে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষিকার মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মু. মোহসিন চৌধুরী বলেন, শিক্ষার জন্য কাজ করার চেয়ে মহৎ আর কিছু হতে পারে না। ধীরে ধীরে এদেশে শিক্ষার হার বেড়েই চলেছে। তবে শিক্ষার মান বজায় রাখার জন্য শিক্ষক, ছাত্র ও অভিভাবকদের সমন্বয় থাকতে হবে।

প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন কলেজ গভর্নিং বডির নবনির্বাচিত সভাপতি সমাজসেবক একে জাফর খান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট দীপক দত্ত, সুলতানপুর নন্দীপাড়া এসএম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শামীমুল ইসলাম চৌধুরী (সামু), ৬ নম্বর বিনাজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুকুমার বড়ুয়া, কলেজ গভর্নিং বডির সদ্য সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট অরুণ সরকার ও প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ অমর কান্তি দত্ত।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন অভিভাবক সদস্য জামাল উদ্দিন, কর্ণফুলী কলেজের সহকারী অধ্যাপিকা শামীমা বানু, আওয়ামী লীগ নেতা রবীন্দ্র লাল চৌধুরী, রাউজান প্রেসক্লাবের সভাপতি তৈয়ব চৌধুরী, একেএম মনজুর মোরশেদ, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর এপিএস নিয়াজ মোরশেদ নিরু, আলাউদ্দিন চৌধুরী, রিফাত মাহমুদ, প্রমুখ।

আলোকিত সমাজ গড়ার জন্য বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধান অতিথি বলেন, আলোকিত রাউজান গড়ার লক্ষ্যে বর্তমান সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

সভাপতির বক্তব্যে একে জাফর খান বলেন, রাউজানের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ প্রতিটি ক্ষেত্রে স্থানীয় সংসদ সদস্য, রেলপথ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর নিরলস প্রচেষ্টা রাউজানবাসী আজীবন স্মরণ রাখবে। এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মান ও অবকাঠামো উন্নয়নে আমি নিরলসভাবে কাজ করে যাব। শিক্ষার মানের ব্যাপারে কোনো আপস করা হবে না। আজ থেকে এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ম-কানুনের মধ্যে চলতে হবে।

মতবিনিময় সবার আগে নবনির্বাচিত গভর্নিং বডির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সবার সর্বসম্মতিক্রমে একেএম মনজুর মোরশেদকে শিক্ষানুরাগী হিসেবে মনোনিত করা হয়।