ডিজিটাল বাংলাদেশ ডিজিটাল পদ্ধতিতেই এগিয়ে যাচ্ছে

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর , ২০১৫ সময় ১০:২৭ অপরাহ্ণ

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নব নির্মিত বঙ্গবন্ধু হল ও শেখ হাসিনা হলের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণা দিয়েছিলাম, আর আজকের এই প্রোগ্রাম; এটিই আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ ডিজিটাল পদ্ধতিতেই এগিয়ে যাচ্ছে।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এবং নিজের নামে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত দুইটি হলের উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত হিসেবে গড়ে তোলা। দারিদ্র মুক্ত দেশ গড়তে শিক্ষার বিকল্প নেই। তাই শিক্ষার উন্নয়নে আমরা বিভিন্ন কাজ করে যাচ্ছি। দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি।’

নিজের নামে হল উদ্বোধনের পর শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় একটি চমৎকার বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। ওখানের শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও কর্মর্কতাদের আবাসিক সুবিধার জন্য যা করার প্রয়োজন আমরা সব ধরনের উদ্দ্যোগ নেব। ছাত্রদের জন্য আবাসিক হলের পাশাপাশি শিক্ষকদের জন্য ডরমেটরি এবং কর্মচারিদের বাসস্থানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় যে কোনো উদ্দ্যোগ নিলে তাতে আমরা সহায়তা করব। আমরা চাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আরও সুন্দরভাবে চলুক।’

এসময় তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারিদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।

এর আগে নবনির্মিত দুইটি হলের বিভিন্ন দিক ও সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ণ প্রকল্প সমূহ প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। পরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে বেলা ১২টা ২০ মিনিটে নবনির্মিত দু’টি হলের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীকে জানান, চারতলা বিশিষ্ট জননেত্রী শেখ হাসিনা হলের মোট আয়তন প্রায় ৯৮ হাজার ৫০০ বর্গফুট। ছাত্রীদের জন্য নির্মিত চারতলা এ হলে থাকছে ৫০০টি আসন। হলটিতে লিফট, দুই হাজার বর্গফুটের পাঠাগার ও কমনরুমেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। রয়েছে ইনডোর গেমসের সুবিধা, ছাত্রীদের জন্য রান্নাঘর ও প্রার্থনাকক্ষ।

এছাড়া ছেলেদের জন্য নির্মিত প্রায় ৪৫ হাজার বর্গফুটের দুইতলা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে আসন রয়েছে ১৮৬টি। হলটিতে রয়েছে পাঠাগার, ক্যান্টিন ও প্রার্থনার জন্য আলাদা কক্ষ। ইনডোর গেমস রুম, কমন রুম, দোকান ও লন্ড্রীর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড.ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ, চবির রেজিস্ট্রার ড.শামসুল হুদা, চবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড.মনসুর আহমেদ, চাকসুর সাবেক ভিপি মাজহারুল হক শাহ।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোস্তাফিজুর রহমান, প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন এবং কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন ড.সেকান্দর চৌধুরী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র-শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ।