‘ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা ২০১৮’ শুরু

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি , ২০১৮ সময় ০৮:১৮ অপরাহ্ণ

এমএ আজিজ স্টেডিয়ামের জিমনেশিয়াম সংলগ্ন মাঠে ‘ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা ২০১৮’ শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে মেলার উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল মান্নান।

ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলো তুলে ধরতে এ মেলার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। মেলার সার্বিক তত্ত্বাবধান করছে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এটুআই (অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন)প্রজেক্ট।

তরুণদের জন্য রয়েছে আইসিটি কুইজ প্রতিযোগিতা, প্রজেক্ট জমা দেওয়ার জন্য ইনোভেথন, সিভি-ক্লিনিক, ড্রোন প্রদর্শনী, আমার চোখে ডিজিটাল বাংলাদেশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সেলফি কনটেস্ট। এছাড়া  সরকারি দপ্তর, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, বিভাগ, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মোবাইল ব্যাংকিং ও বেসরকারি তথ্যপ্রযুক্তি সেবার প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আ্দুল মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি ড.এসএম মনির উজ জামান, চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার, পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা ও সিভিল সার্জন ডা. মো. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী।

স্বাগত বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. হাবিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আ্দুল মান্নান বলেন, ‘শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামোগতসহ সব ক্ষেত্রে ডিজিটালাইজড করা হচ্ছে। দেশের মানুষ দো্রগোড়ায় ডিজিটাল সেবা পাচ্ছে। শুধু তাই নয় ডিজিটালের সুবাদে বর্তমানে দেশের ১২ কোটি মানুষ মোবাইল ব্যবহার করছে। এর মধ্যে ৫ কোটি মানুষ তেমন শিক্ষিত না। তারপরও এটি সম্ভব হয়েছে ডিজিটাল প্রযুক্তির কারণে।’

ডিজিটালের সুবাদে দুর্নীতি বন্ধ হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘সবখানে ডিজিটাল হওয়ায় দেশের প্রতিটি সেক্টরে দুর্নীতি বন্ধ হচ্ছে। কেউ দুর্নীতি করবে সেই সাহসটুকুও পাচ্ছে না। কারণ ঘুষ নেওযার আগে সে ভাবছে কোনো রেকর্ডিং কিংবা গোপনে ভিডিও করা হয়েছে কি না।’

‘দেশের ৯৯ ভাগ শিশু স্কুলে নাম লেখাচ্ছে এর মধ্যে মাত্র ৫ ভাগ শিশু ড্রপ আ্উট হচ্ছে। ফলে স্বাধীনতার পরবর্তী মাত্র ১৮ ভাগ মানুষ শিক্ষার্থী হলেও বর্তমানে এই শিক্ষার হার প্রায় ৭২ ভাগ।