ডাবুয়া খালে সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যায়ে ব্রীজ নির্মানের কাজ শুরু

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারি , ২০১৮ সময় ১০:৫২ অপরাহ্ণ

শফিউল আলম, রাউজান ঃ রাউজান ও কাউখালী উপজেলার মানুষের চলাচলের দুভোর্গ লাঘবে রাউজানের বৃন্দ্বাবন পুর ও কাউখালীর ডাবুয়া পাড়া এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে ডাবুয়া খালের উপর ব্রীজ নির্মান কাজ শুরু করা হয়েছে । রাউজান উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের বৃন্দ্বাবন পুর, বৃকবানপুর, জানিপাথর, গলাচিপা, বানারস, এয়াসিন নগর, পাচঁ পুকুরিয়া ও রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার ডাবুয়া পাড়া, চৌধুরী পাড়া, কচুঁ পাড়া, ধোপাছড়ি এলাকার কয়েক হাজার বাসিন্দ্বা নিত্ত নৈমত্তিক কাজে হলদিয়া ইউনিয়নের বৃন্দ্বাবনপুর ও কাউখালী উপজেলার ডাবুয়া পাড়া এলাকার মধ্যবর্তি স্থান দিয়ে প্রবাহিত খরশ্রোতা ডাবুয়া খালের পানি দিয়ে চলাচল করতো চরম দুভোর্গের মধ্যে দিয়ে । বর্ষার মৌসুমে এলাকার বাসিন্দ্বা ও স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা খরশ্রোতা ডাবুয়া খালের পানির শ্রোত দিয়ে নৌকা দিয়ে যাতায়াত করতো জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে । রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলা ও চট্টগ্রাম জেলার রাউজানের বাসিন্দ্বাদের যাতায়াতের দুভোর্গ লাঘবে রাঙ্গামাটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যায়ে রাউজানের বৃন্দ্বাবন পুর ও কাউখালীর ডাবুয়া পাড়া এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে ডাবুয়া খালের উপর ব্রীজ নির্মান কাজ শুরু করা হয়েছে । ব্রীজ নির্মানের ঠিকাদার রাউজান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুর মোহাম্মদ ব্রীজের নির্মান কাজ টেন্ডারের মাধ্যমে পাওয়ার পর ব্রীজ নির্মানের কাজ শুরু করেছে । হাজার হাজার মানুষের চলাচলে দুভোর্গ থেকে রেহাই পেতে ব্রীজ নির্মান কাজ শুরু করায় দুই উপজেলার বাসিন্দ্বাদের মধ্যে আনন্দের বন্যা নেমে এসেছে । ব্রীজটি নির্মনি কাজ শেষ হলে দুই জেলা ও দুই উপজেলার বাসিন্দ্বাদের মধ্যে সেতু বন্দ্বন হবে বলে জানান কাউখালী উপজেলার ডাবুয়া পাড়া এলাকার বাসিন্দ্বা মসিলা চৌধুরী । মসিলা চৌধুরী আরো জানান ডাবুয়া বাজারের উপরে ডাবুয়া খালের উপর কোটি টাকা ব্যয়ে আরো একটি ব্রীজ নির্মান কাজ শেষ হয়েছে । এতে এলাকার লোকজন ঐ ব্রীজ দিয়ে সড়ক পথে কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া চায়েরী বাজার ও কাউখালী উপজেলা সদর, রাঙ্গামাটি জেলা সদরে গাড়ী নিয়ে যাতায়াতের পথ সুগম হয়েছে । রাউজানের হলদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম জানান ব্রীজটি নির্মান কাজ শেষ হলে দুই উপজেলার হাজার হাজার মানুষের দীঘদিনের দুভোর্গ লাঘব হবে ।