টেন্ডুলকার কবে বিদায় নেবেন, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল টেন্ডুলকারেরই

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর , ২০১৩ সময় ১১:১৫ অপরাহ্ণ

শচীন টেন্ডুলকারঅনেকটা চাপের মুখে অবসর নিতে একরকম বাধ্যই করা হয়েছিল তাঁকে। সৌরভ গাঙ্গুলী চান না, একই পরিণতি হোক ক্রিকেটের সর্বকালের সফলতম ব্যাটসম্যানটির বেলায়ও। ২০০তম টেস্টই শচীন টেন্ডুলকারের শেষ, ভারতীয় নির্বাচকরা নাকি দ্রুতই সিদ্ধান্তটি নিতে চাপ দিচ্ছেন—এমন খবরই বাতাসে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সৌরভ বললেন, টেন্ডুলকার কবে বিদায় নেবেন, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল টেন্ডুলকারেরই।
কলকাতায় সাংবাদিকদের সৌরভ বলেছেন, ‘এখনই অবসর নেবে কি না, সেটা সে-ই ঠিক করবে। ও যদি চায় খেলে যেতে, তাহলে অবশ্যই ও খেলবে।’
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে অবশ্য দাবি করা হয়েছে, প্রধান নির্বাচক সন্দীপ পাতিল মোটেও টেন্ডুলকারকে ২০০তম টেস্ট খেলার পর ভবিষ্যত্ নিয়ে ভাবতে বলেননি। বিসিসিআইয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের একজন রাজীব শুক্লা বলেছেন, ‘এটা একেবারেই ভুল এবং ভিত্তিহীন খবর। সন্দীপ পাতিল আর শচীন টেন্ডুলকারের মধ্যে কোনো কথাই হয়নি।’
খবর সত্যি হোক বা না হোক, টেন্ডুলকারকে বিদায় নিতে বলাটা অশোভনীয় হবে বলেই মন্তব্য করেছেন কীর্তি আজাদও। সাবেক ক্রিকেটার, হালের রাজনীতিবিদ আজাদ বলছেন, এ ধরনের গুঞ্জন ছড়ানোও ঠিক নয়, ‘অবসরের সিদ্ধান্তটা পুরোপুরি ওর নিজের হতে হবে। ও খুবই নামী একজন খেলোয়াড়। ওর মাপের একজন খেলোয়াড়কে এ ধরনের কিছু বলা খুবই অন্যায়। নির্বাচকেরা যদি মনে করে, ও ঠিকমতো পারফর্ম করতে পারছে না, তাহলে অবশ্য তাকে দল থেকে বাদ দিতে পারে।’

১৯৮টি টেস্ট খেলা টেন্ডুলকার ২০০তম টেস্ট খেলেই অবসর নেবেন—এমন একটা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল প্রথমে। টেন্ডুলকার নিজে পরে জানান, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত তিনি এখনো নেননি। এরপর শোনা যায়, নির্বাচকেরা চাপ দিচ্ছেন তাঁকে। টেন্ডুলকার নিজে অবশ্য এমনিতেই চাপে আছেন। সর্বশেষ আড়াই বছরে টেস্টে সেঞ্চুরির দেখা পাননি। এ সময় ৩৭ ইনিংসে তাঁর ব্যাটিং গড়ও ছিল অ-টেন্ডুলকারসুলভ— ৩১.৮০।