টেন্ডার নিয়ে যুবলীগ-ছাত্রলীগ সংঘর্ষে দু’জন নিহতের ঘটনার হোতা ৪ ছাত্রলীগ ক্যাডার জামিনে মুক্ত

প্রকাশ:| সোমবার, ৫ আগস্ট , ২০১৩ সময় ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম>> চট্টগ্রামে রেলওয়ের টেন্ডার নিয়ে যুবলীগ-ছাত্রলীগ সংঘর্ষে দু’জন নিহতের ঘটনার অন্যতম হোতা ছাত্রলীগ ক্যাডার সাইফুল আলমlimon ral লিমনসহ চারজন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। রোববার সন্ধ্যা ৬টায় চারজন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান।

গত ২৯ জুলাই বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও মো.জাহাঙ্গীর হোসাইনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ থেকে তারা ছয় মাসের জামিন পান। জামিনের আদেশ রোববার দুপুরে চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে এসে পৌঁছে। এরপর সিএমএম আদেশটি চট্টগ্রাম কারাগারে পাঠ‍ান।

লিমনের সঙ্গে জামিনে মুক্ত হওয়া বাকি তিনজন হলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর টিপু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক জমির উদ্দিন এবং কমার্স কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মো.শরীফ আহমেদ প্রকাশ শরীফ।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার রফিকুল কাদের খোকন বাংলানিউজকে বলেন, ‘হাইকোর্টের জামিন আদেশটি সিএমএম আদালত থেকে বিকেলে কারাগারে এসে পৌঁছেছে। এরপর আদেশটি যাচাইবাছাই করে সন্ধ্যা ৬টার দিকে চারজনকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।’

এর আগে গত ২৪ জুন বেলা পৌনে ১২টার দিকে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের দেড় কোটি টাকার টেন্ডারকে কেন্দ্র করে নগরীর সিআরবি এলাকার সাত রাস্তার মোড়ে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে শিশুসহ দু’জন নিহত হয়। নিহতরা হল, সাজু পালিত (২৮) ও আরমান হোসেন (৮)।

সাবেক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী সমর্থিত যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর গ্রুপ এবং নগর আওয়ামী লীগ নেতা আ জ ম নাছিরউদ্দিনের অনুসারী ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম লিমনের ক্যাডারদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর পুলিশ বাবর ও লিমনসহ এ মামলার ৫২ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এছাড়া ঘটনার পর সাইফুল আলম লিমনকে ছাত্রলীগ থেকে এবং বাবরকে যুবলীগ থেকে বহিস্কার করা হয়।

এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই নগরীর কোতয়ালী থানার এস আই মহিবুর রহমান বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর (৫৫)।

এতে গ্রেপ্তার থাকা ৫৬ জনসহ ৮৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৩০/৪০ জনকে আসামি করা হয়। মামলায় আসামীদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ১৪৬, ১৪৮, ১৪৯, ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

এ মামলায় বাবর ও লিমনসহ ৫৬ জনকে বেশ কয়েক দফা রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।


আরোও সংবাদ