টেকসই গোমাতলী বেড়িবাঁধ নির্মানে তাগিদ

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল , ২০১৭ সময় ১১:৩৫ অপরাহ্ণ

গোমাতলীর বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেছেন কউক চেয়ারম্যান
সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও / কক্সবাজার প্রতিনিধি, কক্সবাজার সদর উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের গোমাতলী পাউবো বেড়িবাঁধ ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শণ করেছেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে: কর্ণেল অব: ফোরকান আহমদ। বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টায় তিনি কক্সবাজার থেকে স্পীড বোট যোগে ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দিয়েছেন। এসময় কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: সবিবুর রহমান, কউক সদস্য ডা. সাইফ উদ্দিন ফরাজি, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান জিএম রহিম উল্লাহ, পোকখালী ইউপি চেয়ারম্যান রফিক আহমদ, পোকখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি মোজহার আহমদ, স্থানীয় প্রবীন মুরব্বি আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম, আলহাজ্ব এম আব্দুল্লাহ খান, মোহাম্মদ হোছন,হাবিবুর রহমান, মো: ইউছুফ সেক্রেটারী, আবুল ইসলাম, সদর যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক রাজিবুল হক চৌধুরী রিকু, গোমাতলী সমবায় কৃষি ও মোহাজের উপনিবেশ সমিতির সভাপতি নুরুল আমিন, সহ সভাপতি সাইফ উদ্দিন, সম্পাদক মোসলেম উদ্দিন, পরিচালক সাংবাদিক সেলিম উদ্দিন, নুরুল আাজিম, দেলোয়ার হোসেন, গোমাতলী ভূমিহীন সমিতির ছৈয়দ আকবর, আব্দুল গফুর এমএ, মনছুর আলম, ৭ নং ওয়ার্ড মেম্বার দুখু মিয়া, পোকখালী যুবলীগ যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন প্রমুখসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। গোমাতলী ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ, স্লুইস গেইট ও রাজঘাট পাড়া সড়ক পরিদর্শণকালে কউক চেয়ারম্যান স্থানীয়দের উদ্দেশে বলেন, সরকার ইতিমধ্যে জেলায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ করেছে। গোমাতলীর ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় দ্রুত সংস্কার কাজ করা হবে। সড়কের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। আশা করি চলতি বছরে গোমাতলী থেকে ঈদগাঁও পযূন্ত সড়ক সংস্কার কাজ শেষ হবে। তিনি টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মানে পাউবো কক্সবাজার নির্বাহী প্রকৌশলীকে পরিদর্শনকালে তাগিদও দেন। উল্লেখ্য, ২১ মে ঘুর্নিঝড় রোয়ানুর আঘাতে কক্সবাজার উপজেলার গোমাতলীর বিভিন্ন এলাকায় ভেঙ্গে যাওয়া বেড়ীবাঁধের অংশ দিয়ে নিয়মিত জোয়ারের পানি ঢুকছে। লবণাক্ত পানি ঢুকে মানুষের ঘরবাড়ি, ফসল, বীজতলা, চিংড়িঘের, লবণ মাঠ, মাছ ও রাস্তাঘাটের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পরিকল্পিত বেড়ীবাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় গোমাতলীর ক্ষতিগ্রস্থ জনগণ প্রতি বর্ষা আসলেই আরো একটি ২৯শে এপ্রিলের ছোবল আতঙ্কে রীতিমত ভয়ে থাকেন। প্রায় শীঘ্রই অরক্ষিত এ বেড়ীবাঁধ নির্মাণের জোর দাবী জানিয়ে আসছিল স্থানীয়রা।