টেকনাফে ৭৮৮৩ জেলে জলজ সম্পদ আহরণে নিয়োজিত

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই , ২০১৭ সময় ০৮:৪৯ অপরাহ্ণ

টেকনাফ উপজেলায় ৭হাজার ৮শ ৮৩জন জেলে অত্র উপকূলের সাগর-নদীতে ৪হাজার ৭৫ প্রজাতির মাছ, ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি, ৫ প্রজাতির লবস্টার, ১৫ প্রজাতির কাঁকড়া, ৫ প্রজাতির কচ্ছপ, ১৩ প্রজাতির প্রবালসহ নানাবিধ জলজ সম্পদ ব্যবহার করে জীবিকা নির্বাহ করছে- টেকনাফে সাংবাদিকের সাথে মতবিনিময় সভায় মৎস্য কর্মকর্তা
শামসু উদ্দীন, টেকনাফ ::
টেকনাফে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৭ইং উপলক্ষ্যে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য দপ্তর কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করে পুকুর,নদী ও সাগরের মৎস্য সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্যাদি উপস্থাপন করেন।
১৮ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টায় টেকনাফ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসে টেকনাফে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী,প্রদর্শনী চিংড়ি খামার ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক দীপক পাল উপস্থিত ছিলেন। প্রথম দিনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ের মাধ্যমে কর্মসূচী শুরু করে সপ্তাহব্যাপী পৃথক কর্মসুচী গ্রহণ করা হয়েছে। এতে জানানো হয়, টেকনাফে ৫১৭টি পুকুর, ৪২৭টি ঘেঁর, ৪৬.৫কিঃমিঃ নদী, ৪৮কিঃমিঃ উপকূল, ৫টি বরফকল, ১৮৮ টি আড়ত,সচল কোন মৎস্য ও চিংড়ি হ্যাচারী না থাকলেও পুরো উপজেলায় ৭হাজার ৮শ ৮৩জন জেলে অত্র উপকূলের সাগর-নদীতে ৪হাজার ৭৫ প্রজাতির মাছ, ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি, ৫ প্রজাতির লবস্টার, ১৫ প্রজাতির কাঁকড়া, ৫ প্রজাতির কচ্ছপ, ১৩ প্রজাতির প্রবালসহ নানাবিধ জলজ সম্পদ ব্যবহার করে জীবিকা নির্বাহ করছে। এসব সুরক্ষার পাশাপাশি আগামী-২০২০-২১সাল নাগাদ দেশের মৎস্য সম্পদের উৎপাদন ৪৫.৫২লক্ষ মেঃটন উন্নীত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এই লক্ষ্যে দেশের পোনামাছ অবমুক্তকরণ, বিল নার্সারী স্থাপন, অভয়াশ্রম স্থাপনসহ নানাবিধ কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন।##