টেকনাফে আত্নহত্যার ঘটনায় থানায় মামলা

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১০ মার্চ , ২০১৫ সময় ১১:২০ অপরাহ্ণ

ফরহাদ রহমান,টেকনাফ প্রতিনিধি

টেকনাফে পারিবারিক কলহের জের ধরে আত্নহত্যার ঘটনায় নিহতর মামা আবদুর করিম বাদি হয়ে স্বামী নুরুল আলমকে প্রধান ও ৪ জনকে এজাহার নামীয় আসামি করে টেকনাফ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন। এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের বাহারছড়া গ্রামের মৃত আবদুর রহমানে মেয়ে ইয়াসমিন আকতার (২২) সঙ্গে সদর ইউনিয়নের হাবিরছড়া গ্রামের আমির হামজার ছেলে নুরুল আলমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর নুরুল আলম ও তার পরিবার ইয়াসমিনের কাছ থেকে এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। সে যৌতুক দিতে অনীহা প্রকাশ করলে নুরুল আলম ও তাঁর পরিবারের লোকজন ইয়াসমিনকে নির্যাতন করে আসছিলেন। অবশেষে রবিবার গভীর রাতে তাকে মারধরে করে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করে । পরে ওই ওড়না তাদের বাড়ির পশ্চিম পার্শ্বে একটি আম গাছের ডালে ইয়াসমিনের লাশটি ঝুলিয়ে রাখে। পরেদিন সোমবার সকালে শ্বশুরবাড়ির লোকজন ইয়াসমিন গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে মামা আব্দুল করিমকে খবর দিলে তিনি বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করেন।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নিহত ইয়াসমিনের মামা জানান, বিয়ের পর থেকে নুরুল আলম যৌতুক চেয়ে ইয়াসমিনকে নির্যাতন করে আসছিলেন। শেষ পর্যন্ত ইয়াসমিনকে যৌতুকের জন্য প্রাণ দিতে হল। এ ব্যাপারে তিনি বাদী হয়ে হাবিরছড়া এলাকার নুরুল আলম (২৮), আমির হামজার (৭০), নুরুচ্ছালাম (৩২) ও জাহেদা বেগম (৬০) সহ আরো অজ্ঞাত নামা ২/৩ জন আসামি করে টেকনাফ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান খোন্দকার বলেন, লাশটি ময়নাতদন্ত পারিবারিকভাবে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মামা বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্তকরে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরোও সংবাদ