টানা জয়ে সুপার টেনে এক পা দিয়ে রাখল বাংলাদেশ

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ , ২০১৪ সময় ১০:৫৩ অপরাহ্ণ

টানা জয়ে সুপার টেনে এক পা দিয়ে রাখল বাংলাদেশটানা জয়ে সুপার টেনে এক পা দিয়ে রাখল বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে নয় উইকেটের জয়ের পর নেপালকেও উড়িয়ে দিল মুশফিকুর রহিমের দল। পরশ খারকার দলকে তারা হারাল ৮ উইকেটে। চার পয়েন্ট নিয়ে বি গ্রুপের শীর্ষেও উঠল স্বাগতিকরা।

জয়ের কাজটি সহজ করে দেয় তামিম ইকবাল ও এনামুল হকের ঝড়ো ব্যাটিং। দুজনই আউট হলেও সাকিব আল হাসান ও সাব্বির রহমান দলকে জযের বন্দরে পৌঁছে দেন।

৪৭ বলে তামিম ও এনামুল ৬৩ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন। তামিম ২২ বলে দুটি চার ও এক ছয়ে সাগর পুনের হাতে বল তুলে দেন, উইকেটটি পান বসন্ত রেজমি।

এনামুল পাঁচ চার ও দুই ছয়ে সাব্বিরের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে ৪২ রানে রান আউট হন।

পাঁচ ওভার এক বলে ৫৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন সাকিব ও সাব্বির। এই জুটিতে ঝড় তোলেন সাকিব। বাঁহাতি অলরাউন্ডার ১৮ বলে একটি চার ও চারটি ছয়ে ৩৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। অপর প্রান্তে ২১ রানে খেলছিলেন সাব্বির।

এর আগে টস জিতে নেপালকে ব্যাটিংয়ে পাঠান মুশফিকুর রহিম। শুরুতেই উইকেট হারালেও পরশ খারকা ও শারদ ভেসকরের প্রতিরোধমূলক জুটিতে এগিয়ে যায় তারা।

শুরুতেই আল-আমিন হোসেন তার দ্বিতীয় ওভারে জোড়া আঘাত হানেন। এর আগে দলীয় চতুর্থ ওভারে ফরহাদ রেজা ভাঙেন উদ্বোধনী জুটি।

ফরহাদ রেজার প্রথম ওভারে উইকেট দেন ওপেনার শুভাষ খাকুরেল (৮)। মিড ওভারে দাঁড়িয়ে থাকা আব্দুর রাজ্জাক সহজেই ক্যাচটি লুফে নেন।

আল-আমিন দলের সপ্তম ওভারটি শুরু করেন সাগর পুনকে ফিরিয়ে। ১২ রানে এই ওপেনার সাকিব আল হাসানের হাতে ক্যাচ তুলে দেন। ওই ওভারে জ্ঞাণেন্দ্র মাল্লাকে এলবিডব্লু করেন এই ডানহাতি পেসার। ছয় বলে দুটি বাউন্ডারিতে ১৩ রান করেন জ্ঞাণেন্দ্র।

সাকিব চার ওভারে ২২ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি। ৩৯ রানে তিন উইকেট হারানোর পর ব্যাটিং ক্রিজে নামেন অধিনায়ক পরশ খারকা ও শারদ ভেসকর। ৮৫ রানের জুটি গড়েন তারা ৭৫ বলে। ৩৫ বলে পাঁচ চারে ৪১ রানে মাশরাফির কাছে বোল্ড হন খারকা। শারদ শেষ বলে ৪০ রানে রান আউট হন।

অজেয় থেকে সুপার টেন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পরের ম্যাচে হংকংকে মোকাবিলা করবে। একই ভেন্যুতে ম্যাচটি হবে বৃহস্পতিবার।

বাংলাদেশ: তামিম ইকবাল, এনামুল হক, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, সাব্বির রহমান, নাসির হোসেন, মাহমুদউল্লাহ, ফরহাদ রেজা, মাশরাফি মুর্তজা, আল আমিন হোসেন ও আব্দুর রাজ্জাক।

নেপাল: শুভাষ খাকুরেল, সাগর পুন, জ্ঞাণেন্দ্র মাল্লা, পরশ খারকা, বিনোদ ভান্ডারি, শারদ ভেসকর, বসন্ত রেগমি, নরেশ বুদায়ের, শক্তি গৌচান, সোমপাল কামি, জিতেন্দ্র মুখিয়া।