মাত্র ৯৮ রান

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ , ২০১৪ সময় ০৭:৩৬ অপরাহ্ণ

শেষ ও
[ads1]ভার পর্যন্ত খেললেও মাত্র ৯৮ রান তুলতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। ফলে ৭৩ রানের বড় হার দিয়েই শুরু হলো বাংলাদেশের বিশ্বকাপ মিশন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১৭১ রানের জবাবে বাংলাদেশ ১০০ রানও করতে পারেনি। টি-২০তে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন রানের স্কোর ৭৮। আর আজ ১১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৬৩। সর্বনিম্নরানে অলআউটের শঙ্কায় পড়েছিল বাংলাদেশ। এরপর ৭৩ রানে হারায় অষ্টম উইকেট। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সোহাগ ও মাশরাফি দৃঢ়তা দেখিয়ে লজ্জা এড়ান। ১৭ ওভার শেষে সংগ্রহ ৮৩/৮। ১৭২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামা বাংলাদেশ ১০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে করেছিল ৫৭ রান। অনেকে তাও খানিকটা আশা দেখছিলেন লড়াইয়ের। কিন্তু ১১তম ওভারে বাংলাদেশ হারায় আরও তিনটি উইকেট। বাদ্রির চতুর্থ আর খেলার ১১তম ওভারের প্রথম বলে সাব্বির তৃতীয় বলে মুশফিক আর শেষ বলে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ আউট হন। এর আগে নেমেই চরম বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ দল। ১৫ বলে ১৪ রান করার পরই প্রথম শিকার হন তামিম ইকবাল। বাদ্রির বলে ব্রাভোর হাতে ধরা পড়েন তিনি। ১০ বলে তার সংগ্রহ ৫। এরপর ক্রিস শান্টোকির ওভারের প্রথম দুই বলে আউট এনামুল হক বিজয় আর সাকিব আল হাসান। সাকিব প্রথম বলেই বোল্ড হন শুন্য রানে। বিজয় করেন ১০ রান।
নিজেদের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ দল। বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭১ রান তুলতে সক্ষম হয়। ১৯ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ১৬৭। আল আমিনের করা শেষ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ মাত্র ৪ রান নিতে সক্ষম হয়। আর উইকেট হারায় তিনটি। ৩ ওভারে ১৯ রান দিয়ে কোন উইকেট না পাওয়া আল আমিন শেষ ওভারে মাত্র ২ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। অপরটি রানআউট।
ধীরে শুরু করা ক্যারিবীয়দের ১০০ রান পূর্ণ হয় ১২.২ ওভারে। সর্বোচ্চ ৭২ রান করেন ডোয়েইন স্মিথ। ডোয়াইন স্মিথ ৪৩ বলে ৭২ রান করে মাহমুদুল্লাহ’র বলে ফিরেছেন। আর লেন্ডল সিমন্সকে কোন রান করতে না দিয়েই ফিরিয়েছেন সাকিব। ক্রিস গেইল ৪৮ বলে ৪৮ রান করে জিযার বলে তামিম ইকবালের হাতে ধরা পড়েন। অসাধারণ দুটি ক্যাচ নিয়ে প্রশংসা কুড়ান তামিম। জিয়া, সাকিব ও মাহমুদুল্লাহ একটি করে উইকেট নেন।
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে হংকং-লজ্জা ভুলতে ক্যারিবীয়দের বিরুদ্ধে দলে চারটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। বাজে বোলিং করার কারণে এই ম্যাচের একাদশে নেই আব্দুর রাজ্জাক। নাসির হোসেন, ফরহাদ রেজারও স্থান হয়নি বাজে পারফরমেন্সের কারণে। এ ম্যাচে দলে ফিরেছেন মাশরাফি মর্তুজা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম বারের মতো নামছেন সোহাগ গাজী ও মমিনুল হক। রুবেলের ইনজুরি কারণে সুযোগ পাওয়া জিয়াও রয়েছেন প্রথম একাদশে।