ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন

প্রকাশ:| সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর , ২০১৩ সময় ০৪:১৪ অপরাহ্ণ

চসিকঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণের অংশ হিসেবে নগরীর আরও একটি ভবন অপসারণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ভ্রাম্যমান আদালত।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর কোতোয়ালী থানার লালদিঘী পশ্চিম পাড়ের জেএম সেন এভিনিউ নামে দ্বিতল ওই ভবনটি অপসারণ করা হয়।

করপোরেশন সুত্র জানায়, সিডিএ’র ৬৪টি ঝুকিপূর্ণ ভবনের তালিকায় লালদিঘী পশ্চিম পাড়ের জেএম সেন এভিনিউ ভবনটিও রয়েছে। ১৯২৮ সালে নির্মিত ভবনটিতে দীর্ঘদিন ধরে ফার্মেসী, ডেন্টাল সার্জনের চেম্বার, ঘড়ির দোকান, ছবি বাঁধাইয়ের দোকানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ব্যবসা করে আসছিল।

গত ১০ সেপ্টেম্বর ভবনটি অপসারণ করতে মালিককে এক সপ্তাহের সময় বেঁধে দেন চসিক’র ভ্রাম্যমান আদালত। এ ঘটনার ২০ দিন পেরিয়ে গেলেও মালিক ভবনটি অপসারণ না করায় সোমবার দুপুরে চসিক কর্তৃপক্ষ নিজেরাই ভবনটি অপসরাণ করে।

চসিক’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া শিরিন বলেন,‘ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণের রুটিন ওয়ার্ক হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর আগে ভবন মালিককে প্রথমে এক সপ্তাহ পরে তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দু’সপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়।’

কিন্তু তারা এ সময়ের মধ্যে ভবনগুলো ‍অপসারণ না করায় করপোরেশনের পক্ষ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। পরে মালিকের কাছ থেকে খরচ আদায় করা হবে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, ‘সিডিএ’র তালিকা অনুযায়ী অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ভবন পর্যায়ক্রমে অপসারণ করা হবে।’

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) ২০০৬ সালের শুরুর দিকে নগরীর ৫৭ টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের একটি তালিকা প্রণয়ন করে। সাভার ট্রাজেডির পর এ তালিকায় যুক্ত হয় আরও ৭টি ভবন।

সিটি কর্পোরেশনের ২০০৯ সালের ইমারত নিয়ন্ত্রণ উপধারা ১৭ এর ১ অনুসারে নগরীতে পুরাতন ভবন অপসারণের দায়িত্ব করপোরেশনের। এই আইনের আলোকে ৬৪টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের একটি তালিকা সিটি কর্পোরেশনে পাঠায় সিডিএ।

সিটি করপোরেশন গত ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণ কাজ শুরু করে। নগরীর পিকে সেন সড়কে বড়ুয়া ভবন অপসারণের মধ্যে দিয়ে এ অভিযান শুরু করা হয়।


আরোও সংবাদ