জিয়ার উদ্ধার করা গণতন্ত্র আজ গণভবনেই আবদ্ধ

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারি , ২০১৭ সময় ০৯:৩৮ অপরাহ্ণ

 

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮১তম জন্মবার্ষিকী পালন করেছে উত্তর জেলা বিএনপি। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার নাসিমন ভবনে মিলাদমাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করে সংগঠনটি। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ইসহাক কাদের চৌধুরী।

সভায় মোনাজাত পরিচালনা করেন উত্তর জেলা ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম হেলালী। সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি সভাপতি এম এ হালিম, অধ্যাপক ইউনুস চৌধুরী, আলহাজ¦ সালাউদ্দিন ,চাকসু ভিপি মো.নাজিম উদ্দিন, এডভোকেট আবু তাহের, আবদুল আওয়াল চৌধুরী, ডা.খুরশিদ জামিল, সেলিম চেয়ারম্যান, সৈয়দ নাছির উদ্দিন, সরওয়ার সেলিম, জামসিদুর রহমান, মোস্তফা কামাল, মোহাম্মদ ছিদ্দিক, কামাল উদ্দিন, অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম, কাহী মো.মুছা, নবাব মিয়া চেয়ারম্যান, শফিউল আলম চৌধুরী, এস এম ফারুক, ফোরকান উদ্দিন রেজভী, কে আলম, বদিউল আলম বদরু, মো.আইয়ূব, আবদুল্লাহ আল নোমান, মনিরুজ্জামান রুবেল, জয়নাল আবেদিন, এজাহার মিয়া, ইরফানুল হাসান রকি, মো.হাশেম, ফজলুল করিম, মো.সালাউদ্দিন,আলেয়া আক্তার, মো.সোহেল, আবদুল্লাহ আজাদ, জয়নুল আবেদিন মনজু প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, ‘১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ায় জন্মগ্রহণ করা শিশু জিয়া একদিন দেশের ত্রাণকর্তা হয়ে উঠেন। জিয়ার হাত ধরে বাংলার জনগণ পায় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও বহুদলীয় গণতন্ত্র। এক সময় জিয়ার দর্শন ও দেশ পরিচালনার কৌশল সারা বিশে^ জনপ্রিয় হয়ে উঠে। অনেক রাষ্ট্রপ্রধান গুরুদ্বপূর্ণ বিষয়ে সমাধানের জন্য জিয়ার াছে ছ’টে আসতেন। কালক্রমে জিয়াউর রহমান হয়ে উঠেন বিশ^নেতা। কিন্তু দুঃখের বিষয় জিয়ার প্রতিষ্ঠিত বহুদলীয় গণতন্ত্র শেখ হাসিনা তার গণভবনে আবদ্ধ করে রেখেছে। দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই, নেই কোন নিরাপত্তা। সবদিকে লুটপাট করছে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মাধ্যমে শাসক গোষ্ঠী জোর করে ক্ষমতা দখলের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীনতার পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে গেছে, দেশে মুক্ত চিন্তার পথ বন্ধ করে দিয়েছে। ভিন্ন পথ ভিন্ন মতের প্রকাশের স্বাধীনতা হরণের মধ্য দিয়ে সুশীল সমাজের মুখ বন্ধ করার চিন্তা করছে। গণমাধ্যমের ওপর প্রচুর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে হাজার মামলা দেয়া হচ্ছে। তাদের নির্বিচারে গ্রেফতার করা হচ্ছে। কিন্তু ছাত্রলীগ , যুবলীগ চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, অন্যায় করলেও তার কোন বিচার করা হচ্ছে না। এ অবস্থা থেকে উত্তোরণ করতে হলে আবার স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে দেশকে মুক্ত করতে হবে। জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে, বাকস্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে হবে, গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে হবে, দেশের মানুষকে মুক্ত করতে হবে। ইতিহাসে কোন স্বৈরাচারীনি ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে পারেনি, আশাকরি শেখ হাসিনাও পারবে না। জনগণের সরকারের কাছে ক্ষমতা ফিরে আসবে।


আরোও সংবাদ