জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ ও প্রচারের আহ্বান

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২৯ মে , ২০১৪ সময় ০৮:৩৫ অপরাহ্ণ

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ ও প্রচারের আহ্বানশহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ ও প্রচারের আহ্বান জানিয়েছেন বিকল্পধারার প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, জনগণকে জাগাতে হলে আগে নিজেদের জাগতে হবে। জিয়াউর আদর্শ হৃদয়ে ধারণ করে তা প্রচার করতে হবে। তাহলে ক্ষমতায় গেলে আপনাদের কেউ নামাতে পারবে না। আজ বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জিয়াউর রহমানের ৩৩তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া উপস্থিত হলে দর্শক সারিতে বসেছিলেন। বি. চৌধুরী বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি অংশ। যারা এখন দেশ শাসন করছেন, তারা জিয়াকে কলঙ্কিত করার সর্বোচ্চ অপচেষ্টা করছেন। তারা জিয়ার নন, স্বাধীনতার শত্রু।

সভাপতির বক্তৃতায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, র‌্যাব এখন ক্যান্সারে পরিণত হয়েছে। এর কোন সংস্কার করে লাভ হবে না। এ সময় র‌্যাব বিলুপ্তির দাবি জানান তিনি। তিনি বলেন, এখন প্রমাণ হয়ে গেছে- জিয়াই স্বাধীনতার ঘোষক। তার আদর্শ ধরেই এগোতে হবে। জিয়া যেদিন শাহাদাৎ বরণ করেন, সেদিন বাংলার কৃষাণীরা চুলায় রান্না বসায়নি, কৃষক চাষ করেনি। ঘরে ঘরে ছিল শোক। তিনি ছিলেন জনমানুষের নেতা। মির্জা আলমগীর বলেন, দেশ এখন গভীর সংকটে। এ থেকে মুক্তি পেতে চাইলে সরকারকে হটাতে হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের উচিত একটি নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দেওয়া, যাতে সব দলের অংশগ্রহণ থাকে। সরকার তাতে ব্যর্থ হলে আমাদের আর উপায় থাকবে না। তিনি বলেন, দেশে এখন গণতন্ত্র নেই। যখন একটিমাত্র দল দেশ পরিচালনা করে, তখন কোন কিছুতে নিয়ন্ত্রণ থাকে না। নারায়ণগঞ্জ, ফেনী ও লক্ষ্মীপুরের ঘটনা আরও ঘটবে। বিএনপির সিনিয়র এ নেতা বলেন, অনেকেই বলেন, বিএনপি এখন জিয়ার আদর্শ থেকে সরে এসেছে। সরলে চলবে না। সাংগঠনিক শক্তি অর্জন করতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের নেতা কোথাও থেকে আনতে হবে না। নেতা আছেন, তিনি খালেদা জিয়া। তার নেতৃত্বে আন্দোলনে নামতে হবে।
দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে সভা পরিচালনা করছেন দলের প্রচার সম্পাদক জয়নুল আবদিন ফারুক। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আর এ গণি, এম কে আনোয়ার, জমির উদ্দিন আহমেদ, মির্জা আব্বাস, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর প্রমুখ।


আরোও সংবাদ