জামায়াত-শিবির কর্মীদের সংঘর্ষে ৭ জন নিহত

প্রকাশ:| শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর , ২০১৩ সময় ১০:২৩ অপরাহ্ণ

নীলফামারীনীলফামারী সদর উপজেলার রামগঞ্জ হাটের কাছে আওয়ামী লীগ ও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে জামায়াত-শিবির কর্মীদের সংঘর্ষে ৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন, টুপামারি ইউনিয়নের কৃষক লীগের সভাপতি খোরশেদ আলম চৌধুরী, যুবলীগ নেতা ফরহাদ আলম, যুবলীগ কর্মী মুরাদ, শিবির কর্মী খয়রাত, বিএনপি নেতা আবু বক্কর সিদ্দিক। এছাড়া নিহত ফেরদৌস ও লেবু’র বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি। সংঘর্ষে পুলিশসহ অর্ধশত লোক আহত হয়েছেন। এর আগে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা এমপি আসাদুজ্জামান নূরের গাড়িতে হামলা করে। সংজ্ঞাহীন অবস্থায় মানিক নামের অপর এক বিএনপি কর্মীকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। বিকালে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও নীলফামারী-২ আসনের এমপি আসাদুজ্জামান নূর বৃহস্পতিবার রাতে জামায়াত-শিবির কর্মীদের দেয়া আগুনে ভস্মীভূত পলাশবাড়ী বাজার ও লক্ষ্মীচাপ বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত দোকান পরিদর্শন করতে যান। পরে রামগঞ্জ হয়ে নীলফামারী শহরে যাওয়ার পথে রামগঞ্জ বাজারের কাছে এ হামলার শিকার হন। আগে থেকেই কয়েকশ’ জামায়াত-শিবিরকর্মী লাঠিসোটা নিয়ে সেখানে রাস্তা অবরোধ করেছিল। এসময় অন্তত ৩০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। দুই পক্ষের মধ্যে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় গোটা এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ অবস্থায় এমপি নূর ও তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা নীলফামারী আসার পথে পুনরায় মাঝপথে জামায়াত-শিবির কর্মীদের বাধার মুখে পড়েন। চারদিক থেকে জামায়াত-শিবির কর্মীরা হামলা চালালে এখানেও শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা টিয়ার শেল ও গুলিবর্ষণ করে। এখানে গুরুতর আহত হন জেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক শাহিদ মাহমুদ ও কৃষক লীগ সাধারণ সম্পাদক ইয়াহিয়া আবিদসহ প্রায় ৫০ জন নেতাকর্মী। পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন প্রায় ১০ জন।