জামায়াত-শিবিরের মৌলবাদী-সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে চবি শিক্ষক সমিতির মানববন্ধনে বক্তারা

প্রকাশ:| বুধবার, ১৫ জানুয়ারি , ২০১৪ সময় ০৯:২৩ অপরাহ্ণ

cuta
প্রেস রিলিজ>>চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা বলেছেন, ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের মূল্যে অর্জিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা এবং জঙ্গী মৌলবাদী সন্ত্রাসের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে হলে অবিলম্বে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে জামায়াত-শিবিরের মৌলবাদী-সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে।
বক্তারা অবিলম্বে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের ভিকটিমদের তালিকা প্রস্তুত করে ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ এবং হামলাকারীদের সম্পর্কে তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করার জোর দাবি জানান। বিগত মহাজোট সরকারের আমলে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদী সন্ত্রাসের যাবতীয় ঘটনা তদন্ত করবার জন্য সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করে ছয় মাসের ভেতর তার প্রতিবেদন দেশবাসী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জানানোরও জোর দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল মনছুরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. সেকান্দর চৌধুরীর সঞ্চালনায় চবি ভিসি প্রফেসর মো. আনোয়ারুল আজিম আরিফকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী।
গতকাল ১৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. আবদুল গফুর খান, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলমগীর, প্রফেসর ড. দেবপ্রসাদ পাল, প্রফেসর ড. রণজিত কুমার চৌধুরী, প্রফেসর ড. জীবন চন্দ্র পাল, প্রফেসর ড. মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী, প্রফেসর ড. শাহাদাত হোসেন, প্রফেসর ড. নাসিম হাসান, প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর আলম, প্রফেসর ড. বশির আহমদ, প্রফেসর ড. সাইফুল কবির, প্রফেসর ড. সাঈদুর রহমান, ড. তাপসী ঘোষ রায়, প্রফেসর ড. গণেশ চন্দ্র রায়, পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ সভাপতি প্রফেসর ডা. একিউএম সিরাজুল ইসলাম, প্রফেসর বেনু কুমার দে, শিক্ষক নেতা মুক্তিযোদ্ধা লকিতুল্লাহ, প্রফেসর ড. শংকর লাল সাহা, প্রফেসর ড. হোসাইন কবির, প্রফেসর ড. জিনবোধী ভিক্ষু, প্রফেসর ড. কুন্তল বড়–য়া, প্রফেসর ড. হেলাল উদ্দিন, নাসিমা আকতার, জসিম উদ্দিন, অধ্যাপক সুকান্ত ভট্টাচার্য, খসরুল আলম কুদ্দুসি, যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল করিম, ড. সেলিনা আক্তার, আলী আজগর চৌধুরী, প্রফেসর রুহুল আমিন, এবিএম আবু নোমান, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত বাঙালি, জেলা নেতা অলিদ চৌধুরী, শিবলী নোমান চৌধুরী, নাজমুল আলম খান, মাউসুফ উদ্দিন মাসুম, নিখিলেশ সরকার রাজ, মঈদুল ইসলাম, ফয়সাল চৌধুরী, নারীনেত্রী জেসমিন সুলতানা পারু, জেসমিন পারভিন জেসি, চসিক কমিশনার রেখা আলম চৌধুরী, আফরোজা কালাম, আনোয়ারুল ইসলাম বাপ্পি, নুরুল আজম রনি, রাশেদ হাসান, সুনীল ধর প্রমুখ। উল্লেখযোগ্য সংগঠনগুলির মধ্যে সংহতি প্রকাশ করেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি-চট্টগ্রাম, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি পরিষদ-চট্টগ্রাম, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-বৃহত্তর চট্টগ্রাম, মহানগর স্বেচ্চাসেবক লীগ, মহানগর ছাত্রলীগ, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, চট্টগ্রাম মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড, উদীচী, গণজাগরণমঞ্চ, প্রমা আবৃত্তি সংগঠন, প্রমা সাংস্কৃতিক অঙ্গন, গ্র“প থিয়েটার ফোরাম, অরিন্দম নাট্য সম্প্রদায়, বাংলাদেশ গ্র“প থিয়েটার ফেডারেশন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ, ওড়িশী এন্ড টেগোর ডান্স মুভমেন্ট সেন্টার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সনাতন ধর্ম পরিষদ নেতৃবৃন্দ।