জামায়াতের হরতাল তাই পেকুয়া সরকারী হাসপাতালের টিএইচও কর্মস্থলে অনুপস্থিত!

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি , ২০১৪ সময় ০৭:৫৩ অপরাহ্ণ

জামায়াতের হরতাল তাই পেকুয়া সরকারী হাসপাতালের টিএইচও কর্মস্থলে অনুপস্থিত!মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, পেকুয়া-কুতুবদিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
জামায়াতের ডাকা হরতাল তাই কর্মস্থলে ছুটি ছাড়া অনুপস্থিত হাসপাতালের প্রধান কর্তা! প্রতি বারই বিএনপি-জামায়াতের ডাকা হরতালের দিন এ চিকিৎসক হাসপাতালে প্রায় আসেন না। এছাড়াও হাসপাতালে তার উপস্থিতি ও নিয়মিত নয়। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে এর সত্যতা ও মিলেছে। এসময় দেখা গেছে, তার অফিস কক্ষটি তালাবদ্ধ রয়েছে। আর এ সুবাধে এ হাসপাতালে কর্মরত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: মুজিবুর রহমান ও দুপুর ১২টার পূর্বেই হাসপাতাল থেকে হাওয়া হয়ে যান। অন্যান্য চিকিৎসক ও কর্মচারীরা নিজেদের ইচ্ছে মতো রোগীদের দায়সারাভাবে চিকৎসা সেবা দিচ্ছেন। ফলে ভেঙ্গে পড়েছে সরকারী এ হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার জামায়াতের ডাকা হরতালের দিন নির্দিষ্ট কর্মস্থল পেকুয়ায় না এসে চট্টগ্রামের দোহাজারী স্টেশনের জিওসি মোড়ে অবস্থিত একটি ফার্মেসীতে রোগী দেখেন ওই সরকারী চিকিৎসক। আর এ চিকিৎসকের নাম হচ্ছে ডা: পূর্ণ বর্ধন বড়–য়া (প্রকাশ পিভি বড়–য়া)। তিনি কক্সবাজারের পেকুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত কয়েক বছর পূর্বে তিনি এ হাসপাতালে যোগদান করেছেন। হামপাতালে হরতালের দিন এ চিকিৎসকের অনুপস্থিতি নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্থানীয়দের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও সৃষ্টি হয়েছে।
পেকুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কয়েকজন কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, স্যার চট্টগ্রাম থেকে নিয়মিত হসপাতালে আসা যাওয়া করেন। তবে হরতালের দিন স্যার হাসপাতালে আসেন না। তিনি দোহাজারীতে একটি চেম্বারে রোগী দেখেন। হাসপাতালের প্রধান কর্তা ব্যক্তি হওয়ায় তারা এর কোন প্রতিবাদ করতে পারেনা।
পেকুয়া স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ছুটি ব্যতিত বৃহস্পতিবার কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কথা স্বীকার জানিয়েছেন, তিনি বান্দরবানে ম্যলেরিয়া বিষয়ক একটি কর্মশালায় অংশ নেওয়ায় হাসপাতালে যাননি। ছুটি ছাড়া কেন কর্মশালায় অংশ নিলেন এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি আর কোন কথা বলতে রাজি হননি।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে কক্সবাজার জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য কর্মকর্তা উচাপ্র“ মারমা এ ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।